Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Narendra Modi

লোকসভায় ‘বঙ্কিমদা’-বিভ্রাট! বাংলায় এসে বঙ্কিমচন্দ্রকে ‘ঋষি’ এবং ‘বাবু’ বলে সম্বোধন সাবধানী মোদির

'বঙ্কিমদা' মন্তব্যে তোলপাড় বঙ্গ-রাজনীতি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০২৫, ১৬:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০২৫, ১৬:২৫

options
link
লোকসভায় ‘বঙ্কিমদা’-বিভ্রাট! বাংলায় এসে বঙ্কিমচন্দ্রকে ‘ঋষি’ এবং ‘বাবু’ বলে সম্বোধন সাবধানী মোদির zoom
মোদির নেতৃত্বাধীন ক্যাবিনেট বৈঠকে এই প্রস্তাবে অনুমোদন মিলেছে

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লোকসভায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ‘বঙ্কিমদা’ বলে সম্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তা নিয়ে তোলপাড় বঙ্গ-রাজনীতি। সেই বিতর্কের আবহে বাংলায় এসে খানিক সাবধানী প্রধানমন্ত্রী। ‘বন্দে মাতরম’-এর স্রষ্টা বঙ্কিমচন্দ্রকে তিনি এ বার ‘ঋষি’, ‘বাবু’ বলে!

শনিবার নদিয়ার তাহেরপুরে সভা ছিল মোদির। কিন্তু আবহাওয়া খারাপ থাকার কারণে তিনি সভাস্থলে পৌঁছোতেই পারেননি। পরিবর্তনে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে অডিওবার্তায় ভাষণ দিয়েছেন তিনি। ওই ভাষণে বঙ্কিম আবেগও ছুঁয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, “বাংলা ভাষা ভারতের ইতিহাস, সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে। বন্দে মাতরম সে রকমই। তার সার্ধ শতবর্ষের উৎসব গোটা দেশে পালন করা হচ্ছে। সম্প্রতি সংসদে বন্দে মাতরমের গৌরবগান হয়েছে। এই বাংলাতেই জন্মেছেন মহান ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। যখন দেশ পরাধীন, তখন ঋষি বঙ্কিমবাবু বন্দে মাতরমের মাধ্যমে  স্বাধীনতার মন্ত্র দিয়েছিলেন। নতুন চেতনা তৈরি করেছিলেন। এখন বিকশিত ভারতের প্রেরণা বন্দে মাতরম। সে জন্য বিজেপি সরকার নতুন নীতি নিচ্ছে।”

Advertisement

সম্প্রতি সংসদে ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে আলোচনায় হয়েছে। সেখানে প্রায় এক ঘণ্টার বক্তৃতায় একাধিক বার বঙ্কিমচন্দ্রকে ‘বঙ্কিমদা’ বলে সম্বোধন করছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তৃতার বয়স যখন ২৩ মিনিট, তখন বিরোধী আসন থেকে বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ জানান দমদমের তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। ‘বঙ্কিমদা’ সম্বোধনে আপত্তি জানিয়ে তিনি বলেন, অন্তত ‘বাবু’ বলুন। বক্তৃতা থামিয়ে প্রধানমন্ত্রী সৌগতকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “আচ্ছা, বাবু বলছি।” তার পর খানিক লঘু চালেই সৌগতের উদ্দেশে মোদি বলেন, “আপনাকেও তো দাদা বলতে পারি?” শাসকবেঞ্চে বসে থাকা অনেক সাংসদ হেসে ওঠেন। বিরোধীবেঞ্চ অবশ্য তুলনায় গম্ভীরই ছিল।

বিরোধীদের দাবি ছিল, সংসদে ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে আলোচনার অন্যতম কারণই ছিল বাংলায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন। বঙ্কিমচন্দ্রকে নিয়ে আলোচনা করে বাঙালি আবেগকে কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। কিন্তু মোদির (Narendra Modi) ‘বঙ্কিমদা-বিভ্রাটে’ বেশ বিপাকে পড়তে হয় বিজেপিকে। বিষয়টি নিয়ে আসরে নামে বঙ্গের শাসকদল তৃণমূলও। তাদের বক্তব্য, তারা যে বরাবর বিজেপিকে ‘বাংলা-বিরোধী’, ‘বাংলার সংস্কৃতির বিরোধী’ আখ্যা দিয়ে এসেছে, তা আবার প্রমাণিত হয়েছে মোদির ‘বঙ্কিমদা’ সম্বোধনে! বিজেপি নেতৃত্ব যে বাংলাকে চেনেনই না, এই ঘটনাই তার প্রমাণ বলে দাবি করেছে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেছেন। নাকখত দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.