সুবীর দাস, কল্যাণী: পরীক্ষা দিতে এসে আচমকা অসুস্থ উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হল হাসপাতালে। হাসপাতাল থেকেই উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিলেন নদিয়ার হরিণঘাটার ওই পড়ুয়া।
জানা গিয়েছে, পরীক্ষা দিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন শামিনা পারভিন নামের এক ছাত্রী। তাঁর বাড়ি নদিয়া জেলার হরিণঘাটা বিরহী হালদারপাড়ায়। রাজলক্ষ্মী কন্যা বিদ্যাপীঠের ছাত্রী সামিনা। উচ্চ মাধ্যমিকের তৃতীয় সেমিস্টারে তাঁর পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল আনন্দপুর হাই স্কুল। সেখানেই পরপর দু’টি পরীক্ষা তিনি দিয়েছেন। কিন্তু গত দু’দিন ধরে ওই ছাত্রী অসুস্থ ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার ছিল তাঁর তৃতীয় বিষয় এডুকেশনের পরীক্ষা। জানা গিয়েছে, শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও ঠিক সময়েই আনন্দপুর হাইস্কুলে পরীক্ষা দিতে আসে ওই ছাত্রী।
পরীক্ষা দিতে এসে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। জানা গিয়েছে, ওই ছাত্রী পেটের ব্যথা এবং বমিভাব নিয়ে স্কুলে আসেন। স্কুল কর্তৃপক্ষ দ্রুত খবর দেয় হরিণঘাটা থানায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। তাঁদের সহায়তায় ওই ছাত্রীকে হরিণঘাটা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসা শুরু হলে সুস্থ হয়ে ওঠেন ওই ছাত্রী। হাসপাতালেই ওই ছাত্রীর পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার হাসপাতালের বিএমএইচ এবং বোর্ডের সহযোগিতায় হরিণঘাটা গ্রামীণ হাসপাতালের তত্ত্বাবধানে ওই ছাত্রী উচ্চ মাধ্যমিকের থার্ড সেমিস্টারের এডুকেশন পরীক্ষা দেন।
শুক্রবার কড়া নিরাপত্তার মধ্যে হাসপাতালে পরীক্ষা দেন ওই ছাত্রী। দু’জন নার্স এবং একজন ভারপ্রাপ্ত শিক্ষিকার তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরে উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ডের আধিকারিকরা এসে পরীক্ষার খাতা সংগ্রহ করে নিয়ে যান। ছ’টি বিষয়ের মধ্যে তিনটি পরীক্ষা হয়েছে। সেমিস্টারের আরও তিনটি পরীক্ষা এখনও বাকি রয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন তারকাই কি বাংলার পরবর্তী বোলিং কোচ? বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি ছিন্ন হতেই জল্পনা
-
মাতলার চরে সবুজের উৎসব, সুন্দরবন বাঁচাতে রোপণ করা হল হাজার হাজার ম্যানগ্রোভ
-
গ্রেপ্তারির পর কেন কোমরে দড়ি পরিয়ে ঘোরানো হচ্ছে রাস্তায়? রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চাইল হাই কোর্ট
-
‘বৈজ্ঞানিক সত্য’-র দায় নেই, ‘রাজনৈতিক সত্য’ হওয়ার
-
চলন্ত ট্রেন থেকে রেললাইনে পড়েছে ফোন? হঠকারিতা নয়, রয়েছে ফেরত পাওয়ার উপায়ও