কল্যাণ চন্দ, মুর্শিদাবাদ: স্ত্রী ও ছেলেকে করাত দিয়ে কুপিয়ে খুনের পর আত্মঘাতী স্বামী! সাতসকালে ভয়ংকর ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায়। ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। কিন্তু কী কারণে আপাতদৃষ্টিতে হাসিখুশি পরিবারের এমন পরিণতি? তা ধোঁয়াশা। রহস্যের শিকড়ে পৌঁছতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম সঞ্জিত হালদার, মৌসুমী হালদার ও রায়ান হালদার। স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে বেলডাঙা থানার আন্ডিরন গ্রামে থাকতে সঞ্জিত। তিনি পেশায় প্যান্ডেল ব্যবসায়ী। প্রতিবেশীদের দাবি, অভাব থাকলেও সুখেই ছিল ওই পরিবার। আচমকা বুধবার সকালে ঘর থেকে উদ্ধার হয় মৌসুমী ও রায়ানের রক্তাক্ত দেহ। পাশে ঝুলন্ত অবস্থায় মেলে সঞ্জিতের দেহ। প্রতিবেশীরা তড়িঘড়ি থানায় খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে।
কিন্তু কেন এই কাণ্ড? সঞ্জিতের পরিবারের দাবি, নেপথ্যে থাকতে পারে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক। সম্ভবত মৌসুমী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছিলেন। তা নিয়ে অশান্তির জেরেই স্ত্রী ও সন্তানকে খুন করেন সঞ্জিত। তারপর পরিকল্পনামাফিক শেষ করেন নিজেকে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মৃতদের পরিবার, পরিজন, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে কথা বলা হবে। তাতেই পরিষ্কার হবে গোটা বিষয়টা।
সর্বশেষ খবর
-
অসুস্থ হয়ে দিল্লি এইমসে ভর্তি বিমান বসু, কী জানাল বামফ্রন্ট রাজ্য নেতৃত্ব?
-
হাওড়ায় বাড়ির সামনে জমা জলে উদ্ধার ব্যক্তির দেহ, তদন্তকারী দল পাঠালেন মন্ত্রী, আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস
-
আচমকা অসুস্থ বুদ্ধদেবজায়া মীরা ভট্টাচার্য, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
-
বাবাকে ‘টার্গেট’ ভেবে ঘরে ঢুকে ছেলেকে খুন! যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল হাওড়া আদালত
-
অভয়া মামলা থেকে নিস্তার নেই! তোলাবাজিতে জামিন হলেও জেলেই প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব