মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ (Midnapore Medical College) হাসপাতালে পরিত্যক্ত ভবনে রাখা হয়েছে ওষুধের স্টোর। চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। যা পরিদর্শন করে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মেদিনীপুরের বিধায়ক শঙ্কর গুছাইত। অভিযোগ পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও। রোগীদের স্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জিও জানিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি এক রোগীকে মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়েছিল গোটা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্তাদের পরিদর্শনের পর সংশ্লিষ্ট স্টোর কিপার-সহ পাঁচজনকে শোকজও করা হয়েছে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের স্যালাইন ও ওষুধপত্র রাখার গুদামঘরের বেহাল দশা নিয়ে চরম ক্ষোভ উগরে দিলেন স্থানীয় বিধায়ক শঙ্কর গুছাইত। ইতিমধ্যে হাসপাতালের একাধিক বিভাগ পরিদর্শন করেছেন বিধায়ক। কিন্তু ওষুধ রাখার নির্দিষ্ট স্থানটি পরিদর্শন করতেই তাঁর চক্ষু চড়কগাছ।
আরও পড়ুন:
শঙ্করবাবু বলেছেন, হাসপাতালের একটি অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ও পরিত্যক্ত ঘরে মজুত করে রাখা হয়েছে জীবনদায়ী সব ওষুধপত্র। স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ ও জরাজীর্ণ ওই ঘরে যেভাবে ওষুধ রাখা হয়েছে, তা যেকোনও সময় রোগীদের জন্য বড়সড় বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। পরিদর্শন শেষে পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে নিশানা করে শঙ্করবাবু অভিযোগ করেন, বিগত ১৫ বছর ধরে আগের সরকার মানুষের জীবন নিয়ে খেলা করে গিয়েছে। তারই ফল ভুগতে হচ্ছে এখন। ঘরটি যে ওষুধ রাখার জন্য কোনওভাবেই আদর্শ স্থান নয়, তা কার্যত মেনে নিয়েছেন হাসপাতাল সুপার ইন্দ্রনীল সেনও। হাসপাতালের পরিকাঠামোগত এই ত্রুটি ও চরম গাফিলতির বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই খোদ মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছেন বিধায়ক। দ্রুত এই স্টোররুমের খোলনলচে বদলে ফেলে আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত করার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
সর্বশেষ খবর
-
চিকেনস নেক ঘিরে বড় পরিকল্পনা মোদি সরকারের, শনিতেই উত্তরবঙ্গে শাহ, থাকবেন শুভেন্দুও
-
বিজেপির সমর্থনে জুন মালিয়া! অনাস্থা ভোটে এগরা ২ পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ডও গেরুয়া শিবিরের দখলে
-
রান্নাঘরের ড্রেন থেকে উঠছে টক গন্ধ? মিস্ত্রী ডাকার আগে করে দেখুন কাগজ ও গ্লাসের পরীক্ষা
-
সরকারি জমির মাটি-গাছ পাচার! অভিষেকের বিরুদ্ধে নালিশ
-
‘ইতিহাস, জানি নীরব সাক্ষী তুমি…’