Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
Sabang

ভয়াবহ দুর্ঘটনা সবংয়ে, বেপরোয়া গতির দুই ডাম্পারের সংঘর্ষে দাউদাউ আগুন

প্রায় পাঁচঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২৫, ০৯:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২৫, ০৯:৪৪

options
link
ভয়াবহ দুর্ঘটনা সবংয়ে, বেপরোয়া গতির দুই ডাম্পারের সংঘর্ষে দাউদাউ আগুন zoom
Advertisement

অংশুপ্রতিম পাল, খড়গপুর: ভোরের রাজ্য সড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! দুই ডাম্পারের মুখোমুখি সংঘর্ষে দাউদাউ আগুন। তাতে জ্বলে গেল একটি ডাম্পার। পশ্চিম মেদিনীপুরের সবংয়ের নীলা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকা কালীপুজোর আগের দিন সাক্ষী রইল এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনার। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও বিশাল পুলিশ বাহিনী। পাঁচঘণ্টার চেষ্টা আগুন আয়ত্তে আনা গিয়েছে। তবে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। প্রাথমিক অনুমান, একটি ডাম্পারের বেপরোয়া গতির কারণেই এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল।

জানা গিয়েছে, রবিবার ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সবং থানার নীলা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শনিবার রাত থেকে মোরাম বোঝাই ডাম্পার নীলা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় তেমাথানি-পটাশপুর রাজ্য সড়কের উপর দাঁড়িয়ে ছিল। ভোরে পটাশপুরের দিক থেকে তেমাথানিগামী একটি ১৮ চাকার স্টোন চিপস বোঝাই ডাম্পার এসে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্পারে সজোরে ধাক্কা মারে। সংঘর্ষের তীব্রতায় আগুন ধরে যায় ১৮ চাকার ডাম্পারটিতে। দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে সেটি। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয় খড়ের গাদায়। আগুনের লেলিহান শিখা কয়েকশো মিটার দূর থেকেও দেখা যাচ্ছিল, কালো ধোঁয়ার ঢেকে যায় গোটা এলাকা। নিমেষে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

Advertisement
দমকল ও পুলিশের চেষ্টায় প্রায় ৫ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন। নিজস্ব ছবি।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ৪টি ইঞ্জিন। পাঁচ ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এর জেরে রবিবার ভোরে রাজ্য সড়কে দীর্ঘক্ষণ বন্ধ ছিল যান চলাচল। রাজ্য সড়কে তৈরি হয় তীব্র যানজট। পরে সবং থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যানজট নিয়ন্ত্রণ করে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এধরনের প্রতিটি দুর্ঘটনায় ঘটছে রাতে এবং তার কারণ গাড়ির বেপরোয়া গতি। রাতে যদি ট্রাফিক পুলিশ এই রাজ্য সড়ক পর্যন্ত ডিউটিতে থাকে, তাহলে বেপরোয়া চালকরা খানিকটা সতর্ক হবেন। পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার ডাম্পার দুর্ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই। দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ডাম্পারগুলির বৈধতা, গতি ও চালকদের অবস্থানও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.