Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Panagarh

সাতসকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড পানাগড়ে, আগুনে পুড়ে ছাই শোরুমের সমস্ত স্কুটি

অগ্নিগ্রাসে চলে যাওয়া তিনতলা ভবনটিতে ছিল ছোটদের একটি স্কুলও। দমকলের তৎপরতায় বড় বিপদ এড়ানো গিয়েছে।

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬, ১০:০৬

link
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬, ১০:০৬

options
link
সাতসকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড পানাগড়ে, আগুনে পুড়ে ছাই শোরুমের সমস্ত স্কুটি zoom
১ সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার। পানাগড়ে একটি স্কুটির শোরুমে সাতসকালে বিধ্বংসী আগুন। ছবি: সনাতন গড়াই
Advertisement

সাতসকালে দুর্গাপুরের পানাগড়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড! কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গেল চারপাশ। রাস্তা দিয়ে যেতে গিয়ে থমকে দাঁড়িয়ে পড়লেন পথচারীরা। বিশাল এলাকা জুড়ে ধোঁয়ায় কিছু দেখা যাচ্ছে না! তবে দমকল বাহিনীর তৎপরতায় মঙ্গলবার সকালে দ্রুত এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতি সামলানো সম্ভব হয়েছে। জানা গিয়েছে, পানাগড়ের দার্জিলিং মোড়ে একটি তিনতলা বাণিজ্যিক ভবনে আগুন লাগে। তার একতলায় ছিল স্কুটির একটি শোরুম। অগ্নিকাণ্ডের জেরে সমস্ত স্কুটি পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। তবে কী থেকে এত বড় আগুন, সে বিষয়ে এখনও কিছু বলতে পারেননি দমকল আধিকারিকরা। শুরু হয়েছে তদন্ত।

পানাগড়ের দার্জিলিং মোড়ের একটি তিনতলা বিল্ডিংয়ের একতলায় ছিল স্কুটির শোরুম। দোতলায় ছোটদের একটি স্কুল এবং তিনকলা. এক পরিবার থাকত। মঙ্গলবার সকালে ওই স্কুটির শোরুমে আগুন লেগে যায়। ঘড়িয়ে সময় তখন সবে ৭টা। নিমেষের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে আশপাশে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা।

পানাগড়ে অগ্নিকাণ্ডের জেরে কালো ধোঁয়ায় ঢাকল চারপাশ, ছবি: সনাতন গড়াই

পানাগড়ের দার্জিলিং মোড়ের একটি তিনতলা বিল্ডিংয়ের একতলায় ছিল স্কুটির শোরুম। দোতলায় ছোটদের একটি স্কুল এবং তিনকলা. এক পরিবার থাকত। মঙ্গলবার সকালে ওই স্কুটির শোরুমে আগুন লেগে যায়। ঘড়িয়ে সময় তখন সবে ৭টা। নিমেষের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে আশপাশে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। বহু দূর থেকেও ধোঁয়ার কুণ্ডলী চোখে পড়ে প্রাতভ্রমণে বেরনো পথচারীদের। সঙ্গে সঙ্গে দমকলকে খবর পাঠানো হয়। দুটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে এলেও ধোঁয়ার দাপটে দীর্ঘক্ষণ বিপজ্জনক পরিস্থিতি ছিল।পরে ধীরে ধীরে তা স্বাভাবিক হয়।

Advertisement

কীভাবে এত বড় আগুন লাগল, সেব বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি দমকল আধিকারিকরা। তবে প্রাথমিক অনুমান, স্কুটির ব্যাটারি থেকে কোনওভাবে বিপদ হতে পারে। দমকল আধিকারিক বিশ্বজিৎ বর্মন জানান, ‘‘সকাল ৭টা নাগাদ এখানে আগুন লাগার খবর পেয়ে আমরা ২টি ইঞ্জিন নিয়ে আসি। তবে একটি ইঞ্জিন দিয়েই আগুন নেভানো গিয়েছে। এই একতলায় স্কুটির শোরুমেই মূলত আগুনটা লেগেছিল। দোতলা ও তিনতলায় কোনও ক্ষতি হয়নি। প্রাণহানিও ঘটেনি। কী থেকে আগুন লেগেছে, এখনও কিছু বলা যাচ্ছে না। সবটা খতিয়ে দেখতে হবে।” সাতসকালে এত বড় অগ্নিকাণ্ড দেখে আতঙ্কিত আশপাশের মানুষজন। অনেকে বলছেন, ছোটদের স্কুল এত সকালে খোলেনি বলে বড় বিপদ এড়ানো গিয়েছে। নইলে হয়ত প্রাণহানি ঘটত।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.