Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Deganga

বন্ধুর সঙ্গে মদ্যপানের পরই ঘর থেকে উদ্ধার ব্যক্তির ক্ষতবিক্ষত দেহ, শোরগোল দেগঙ্গায় 

দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে তদন্তে পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০২৫, ১৫:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০২৫, ১৫:১০

options
link
বন্ধুর সঙ্গে মদ্যপানের পরই ঘর থেকে উদ্ধার ব্যক্তির ক্ষতবিক্ষত দেহ, শোরগোল দেগঙ্গায়  zoom
প্রতীকী ছবি

অর্ণব দাস, বারাসত: সাতসকালে ঘর থেকে উদ্ধার ব্যক্তির ক্ষতবিক্ষত রক্তাক্ত দেহ। শরীরের একাধিক জায়গায় রয়েছে আঘাতের চিহ্ন। অনুমান, ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে কোপানো হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ খুন করা হয়েছে। ঘর থেকে অস্ত্রটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনায় আটক ১। তবে কী কারণে খুন তা নিয়ে ধোঁয়াশা। শনিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে দেগঙ্গায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে মৃত ব্যক্তির নাম বাবলু কর্মকার। বয়স ৪৭ বছর। তিনি পেশায় দিনমজুর ছিলেন। একাই থাকতেন বাড়িতে। পাশের ঘরে থাকেন তাঁর বৃদ্ধা মা। বাবলুর বিয়ে হলেও তাঁর স্ত্রী সঙ্গে থাকেন না বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। শনিবার সকালে তাঁর সাড়া না পেয়ে ঘরে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পড়ে রয়েছেন বাবলু। শরীরের একাধিক জায়গায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত, বিছানায়, মশারিতে ছোপ ছোপ রক্তের দাগ পাওয়া গিয়েছে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, প্রতিদিন মদ্যপান করতেন বাবলু। প্রতিদিনই কোনও না বন্ধু তাঁর সঙ্গে ঘরে বসেই মদ্যপান করতেন। শুক্রবার রাতেও বাড়িতে এক বন্ধু এসেছিলেন বলে জানিয়েছন পরিবারের সদস্যরা। তাঁরা ঘরে বসে মদ্যপান করছিলেন। পুলিশের অনুমান, মদ্যপান করার সময় কোনও কারণে বন্ধুর সঙ্গে ঝামেলা হয় বাবলুর। তারপরই তাঁকে খুন করা হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

মৃতের মা তরু কর্মকার জানিয়েছেন, “ছেলে একা থাকত। বন্ধুরা আসত। আমি কাউকে চিনি না। কী কারণে মারল তা জানি না।” মৃতের এক আত্মীয় রূপা সাউ বলেন, “বাড়িতে বন্ধুর সঙ্গে খাওয়াদাওয়া করছিলেন। তারপর সকালে গিয়ে দেখি বিছানায় মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। কী কারণে খুন তা বলতে পারব না।” প্রতিবেশী মেঘনাথ সরকার বলেন, “বাবলুদা মদ্যপান করতেন। বন্ধুরা আসত বলেই শুনেছি। সকালে চিৎকার শুনে আসি। দেহের একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। খুনিকে গ্রেপ্তার করে সাজা দেওয়া হোক।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.