সুমন করাতি, হুগলি: বাবা, মা, বোনকে হাতের শিরা ও নলি কেটে খুন। দোষী প্রমথেশ ঘোষালকে ফাঁসির সাজা শোনাল চুঁচু়ড়া আদালত। এজলাসে দাঁড়িয়ে বিচারক সঞ্জয় কুমার শর্মার কাছে মুক্তির আর্জি জানায় দোষী। গত নভেম্বরেই বিষ্ণু মাল খুনের মামলায় দোষীকে সাতজনের ফাঁসির নির্দেশে দিয়েছিল এই আদালতই।
ঘটনার সূত্রপাত তিনবছর আগে। ২০২১ সালের ৮ নভেম্বর ধনেখালি থানার দশঘড়া গ্রামের পাল পাড়ার বাসিন্দা প্রমথেশ ঘোষাল বাবা অসীম (৬৮), মা শুভ্রা (৬০) ও বোন পল্লবীকে গলার নলি ও হাতের শিরা কেটে খুন করে। তারপর হাতের শিরা কেটে প্রমথেশও আত্মহত্যার চেষ্টা করে। রক্তাক্ত অবস্থায় পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে ভর্তি করে। শুরু হয় চিকিৎসা। প্রাণে বেঁচে যায় সে। এর পরই পল্লবীর স্বামী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ধনেখালি থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্তে নেমে হাসপাতাল থেকেই প্রমথেশকে গ্রেপ্তার করে। শুরু হয় মামলা।
সোমবার ওই মামলায় ফাঁসির সাজা ঘোষণা করল আদালত। সরকারি আইনজীবী শংকর গঙ্গ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, মোট ১৪ জন সাক্ষী দিয়েছেন। মামলা চলাকালীন অভিযুক্ত জেলেই ছিল। খুনের ভয়াবহতা বিচার করে বিচারক মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। হুগলির পুলিশ সুপার(গ্রামীন) কামনাশিস সেন জানিয়েছেন, আদালত ও বিচার ব্যবস্থার উপর সবাইকে আস্থা রাখতে হবে। তাই অপরাধ যত বড় হোক না কেন, শাস্তি হবেই।
সর্বশেষ খবর
-
হড়পা বানে মৃত্যুমিছিল, নেপালে একতা চাইছেন ‘ভারতবিদ্বেষী’ বলেন্দ্র! নয়াদিল্লির পাঠানো ত্রাণ নেবেন?
-
যজ্ঞেই শয়তান তাড়ানোর কথা বলে ‘শ্লীলতাহানি’, গয়না নিয়ে উধাও সঙ্গিনী-সহ তান্ত্রিক
-
হড়পা বানে আটকে কৈলাসযাত্রী শিষ্যরা, বিধ্বস্ত নেপালে উদ্ধারকাজে নামতে চান সদগুরু!
-
রাজ্যে উড়ল প্যালেস্তাইনের পতাকা! ‘জাতীয় মর্যাদার সঙ্গে আপস নয়’, কড়া বার্তা শুভেন্দুর
-
হাতে হাত, রংমিলান্তি পোশাক, ফের একফ্রেমে রাজ-শুভশ্রীকে দেখে শান্তি ভক্তদের