Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Howrah

মদ আসরে সুখটানে বাধা, বিড়ি না পেয়ে বন্ধুকে বেধড়ক মার, উলুবেড়িয়ায় মৃত যুবক

খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্ত সাগর দলুইকে। শুরু হয়েছে ঘটনার তদন্ত।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৩:৫৩

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৩:৫৩

options
link
মদ আসরে সুখটানে বাধা, বিড়ি না পেয়ে বন্ধুকে বেধড়ক মার, উলুবেড়িয়ায় মৃত যুবক zoom
প্রতীকী ছবি।

মদের আসরে বিড়ি চাওয়া নিয়ে গোলমাল! সেখান থেকে দুজনের মধ্যে ব্যাপক বচসা-মারধর। যার জেরে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। মৃতের নাম ভোলা ওরফে সীমন্ত দলুই (৪৯)। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই মঙ্গলবার সকাল থেকে উত্তেজনা ছড়ালো উলুবেড়িয়ার (Uluberia) জয়পুর থানার ঝামটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তেলিবেড়িয়া এলাকায়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্ত সাগর দলুইকে। শুরু হয়েছে ঘটনার তদন্ত। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বিড়ি চাওয়া নিয়েই ভোলা এবং সাগরের মধ্যে বচসা হয়। ঘটে মারধরের ঘটনাও। মারধরেই জেরেই এই ঘটনা বলে দাবি পুলিশের।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত পরশুদিন অর্থাৎ রবিবার রাত দশটা নাগাদ ভোলা ও সাগর দুজনে বসে মদ খাচ্ছিলেন। জেরায় ধৃত সাগর পুলিশকে জানিয়েছেন, ভোলা তাঁর কাছ থেকে বিড়ি চায় কিন্তু তা না থাকাই ভোলা গালিগালাজ করতে থাকে। এরপরেই সাগর ভোলাকে বেধড়ক মারধর করেন বলে অভিযোগ। মারের আঘাতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন ভোলা। রাতারাতি তাঁকে আমতা ২ নম্বর ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর ভোলাকে ছেড়েও দেন চিকিৎসকরা। কিন্তু সোমবার ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন ভোলা। ফের তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই মৃত্যু হয় ভোলার। এরপরেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় মানুষজন এদিন সকাল থেকে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। এরপরেই অভিযুক্ত সাগরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সাগরের এটি মুদিখানার দোকান রয়েছে। আর ভোলা চাষের কাজকর্ম করেন। বয়সে ভোলার থেকে কয়েক বছরের ছোট সাগর। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভোলাকে যখন সাগর মারধর করছিল তখন অনেকে উপস্থিত থাকলেও কেউ এগিয়ে আসেনি। মারধরের পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তখন স্থানীয় মানুষজন তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। অভিযুক্ত সাগর স্থানীয় একটি তৃণমূল নেতার ভাইপো। আবার মৃত ভোলা স্থানীয় কংগ্রেস নেতার ছেলে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.