Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Farakka

ভাইয়ের খুনের বদলা! রাতের অন্ধকারে অভিযুক্তকে কুপিয়ে ‘খুন’ দাদার, শোরগোল ফরাক্কায়

মৃত আলম শেখ সম্পর্কে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যার দেওর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫, ১৪:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫, ১৪:৪৯

options
link
ভাইয়ের খুনের বদলা! রাতের অন্ধকারে অভিযুক্তকে কুপিয়ে ‘খুন’ দাদার, শোরগোল ফরাক্কায় zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

শাহজাদ হোসেন, ফরাক্কা: ভাইয়ের খুনের বদলা নিতে গ্রামে ফিরে এসেছিল দাদা। যেমন পরিকল্পনা, তেমন কাজ। ভাইকে হত্যায় অভিযুক্তকে রাতের অন্ধকারে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল দাদার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার মাঝরাতে ফরাক্কা (Farakka) থানার এনটিপিসির কেন্দুয়া অ্যাশপন্ডে। মৃত যুবক বছর আটচল্লিশের আলম শেখ। তিনি অ্যাশপন্ডের নৈশপ্রহরী ছিলেন। রবিবার কাজে যাওয়ার পথেই তাঁর উপর চড়াও হয়ে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে পান্না শেখ নামে ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে ফরাক্কা থানার পুলিশ। তবে সোমবার সকাল পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি বলে খবর।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৫ সালে গ্রাম্য বিবাদের জেরে জোড়পুকুরিয়া গ্রামে একটি খুনের ঘটনা ঘটেছিল। অভিযুক্ত পান্না শেখের ভাই তৌফিক শেখকে বাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে মৃত আলম শেখ-সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। আলম শেখ-সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয় ফরাক্কা (Farakka) থানায়। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। দীর্ঘদিন হাজতে থাকার পর জামিনে মুক্ত পায় আলম শেখ। ভাই তৌফিক শেখের খুনের পর দাদা পান্না শেখ প্রাণনাশের আশঙ্কায় গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়। মাস দু’য়েক আগে পান্না শেখ দীর্ঘদিন পর জোড়পুকুরিয়া গ্রামে ফিরে এসে বসবাস শুরু করে বলে জানা গিয়েছে। মৃত আলম শেখের দাদা নবী শেখ তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতা। নবী শেখের স্ত্রী হাসনারা বিবি তৃণমূল কংগ্রেসের ফরাক্কা পঞ্চায়েত সমিতির বর্তমান সদস্য।

Advertisement

রবিবার রাতে আলম শেখ এনটিপিসির কেন্দুয়া অ্যাশপন্ডে নৈশপ্রহরীর কাজ করতে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, পান্না শেখ-সহ কয়েকজন তার উপর চড়াও হয়। আলম শেখকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করার পর এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় তারা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় আলম শেখের। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহ উদ্ধার করে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠায়। মৃতের দাদা নবী শেখ জানান, ”পান্না গ্রামে ফিরে আসার পর একটা আশঙ্কায় ছিলাম। নতুন করে গ্রামে সে ঝামেলা বাঁধানোর চেষ্টা করছিল। কিন্তু ভাবতে পারিনি যে ভাইকে ও নৃশংসভাবে খুন করবে।” এই ঘটনার পর এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সর্তক পুলিশ প্রশাসন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। কী কারণে এই খুনের ঘটনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.