বাবুল হক, মালদহ: ভিনরাজ্যে কাজ করতে গিয়ে বাংলার শ্রমিকের রহস্যমৃত্যু। প্রায় ২ মাস নিখোঁজ থাকার পর সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার দেহ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রবল শোরগোল এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। খবর পেয়েই মৃত শ্রমিকের বাড়ি যান বিধায়ক আবদুর রহিম বক্সি। আশ্বাস দিয়েছেন পাশে থাকার।
জানা গিয়েছে, মৃতের নাম মুকেশ মণ্ডল (৩০)। চাঁচোল ২ নম্বর ব্লকের ক্ষেমপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার পরাণপুর গ্রামের বাসিন্দা তিনি। বাড়িতে স্ত্রী ও ২ সন্তান রয়েছে। কয়েকমাস আগে শ্রমিকের কাজে বেঙ্গালুরু যান তিনি। প্রথম দিকে স্বাভাবিক ছিল সবটা। পরিবার সূত্রে খবর, মাস দুয়েক ধরে মুকেশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না পরিবারের সদস্যরা। দুশ্চিন্তা গ্রাস করেছিল তাঁদের। এরপরই আসে দুঃসংবাদ। বেঙ্গালুরুর সেপটিক ট্যাঙ্কে মেলে মুকেশের পচাগলা দেহ।
স্বাভাবিকভাবেই এই মৃত্যুতে দানা বেঁধেছে রহস্য। পরিবার সূত্রে খবর, কাউকে না জানিয়েই ময়নাতদন্তের পর বেঙ্গালুরুতেই দাহ করে দেওয়া হয়েছে যুবককে। কিন্তু কেন? তদন্তের দাবিতে সরব পরিবারের সদস্যরা। এই রহস্যমৃত্যুর কথা জানতে পেরে বুধবার মৃত শ্রমিকের বাড়ি গিয়ে তাঁর অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ান জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা মালতিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক আবদুর রহিম বক্সি। তিনি বলেন, “যুবকের মৃত্যুতে পরিবার অসহায়। উনি যে কোম্পানির কাজ করছিলেন তাঁরা এখন পর্যন্ত কোনও আর্থিক সাহায্য করেননি। আমরা আর্থিক সাহায্যের জন্য প্রয়োজনে মামলা করব।” মৃত শ্রমিকের অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের সবধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বিধায়ক।
সর্বশেষ খবর
-
অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন তারকাই কি বাংলার পরবর্তী বোলিং কোচ? বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি ছিন্ন হতেই জল্পনা
-
মাতলার চরে সবুজের উৎসব, সুন্দরবন বাঁচাতে রোপণ করা হল হাজার হাজার ম্যানগ্রোভ
-
গ্রেপ্তারির পর কেন কোমরে দড়ি পরিয়ে ঘোরানো হচ্ছে রাস্তায়? রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চাইল হাই কোর্ট
-
‘বৈজ্ঞানিক সত্য’-র দায় নেই, ‘রাজনৈতিক সত্য’ হওয়ার
-
চলন্ত ট্রেন থেকে রেললাইনে পড়েছে ফোন? হঠকারিতা নয়, রয়েছে ফেরত পাওয়ার উপায়ও