Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Uttarpara

আগেও ছিল খুনের অভিযোগ, উত্তরপাড়ার নেশামুক্তি কেন্দ্রের কর্ণধার ‘খুনে’ গ্রেপ্তার মূল অভিযুক্ত

ছুটি না পেয়েই প্রাণে মারা হয়েছিল ওই ব্যক্তিকে!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৫, ১৬:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৫, ১৬:৪৬

options
link
আগেও ছিল খুনের অভিযোগ, উত্তরপাড়ার নেশামুক্তি কেন্দ্রের কর্ণধার ‘খুনে’ গ্রেপ্তার মূল অভিযুক্ত zoom
ধৃতকে আদালতে তোলা হয়েছে। নিজস্ব চিত্র

সুমন করাতি, হুগলি: উত্তরপাড়ার নেশা মুক্তি কেন্দ্রের কর্ণধারকে ‘খুনে’র ঘটনায় এবার গ্রেপ্তার মূল অভিযুক্ত স্বপন বারুই। ধৃত স্বপনের বিরুদ্ধে প্রায় ৩০টি অপরাধের অভিযোগ রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, খুন ও খুনের চেষ্টার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে। ধৃতকে আজ, বুধবার শ্রীরামপুর আদালতে পেশ করা হয়েছে।

উত্তরপাড়ার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের শান্তিনগর এলাকায় একটি নেশা মুক্তি কেন্দ্র রয়েছে। গত ১২ সেপ্টেম্বর ভোরে সেই কেন্দ্রের ভিতরেই রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় কর্ণধার মদন রানাকে। পরে উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় তাঁর। পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে ওই কেন্দ্রের দুই আবাসিক মদনকে শিলনোড়া দিয়ে মাথা থেঁতলে ‘খুন’ করে পালিয়েছে। উত্তরপাড়ার পুলিশ তদন্তে নেমে গত ১৪ তারিখ লিলুয়া থেকে সানি মল্লিক নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। খোঁজ চলছিল মূল অভিযুক্ত স্বপন বারুইয়ের।

Advertisement

গতকাল, মঙ্গলবার রাতে বেলুড় থেকে স্বপনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত হাওড়ার বাসিন্দা। স্বপন প্রায়ই নেশার করতে একটি জায়গায় যেত বলে তদন্তকারীরা জানতে পারেন। সেই খবর পাওয়ার পরেই ওই নির্দিষ্ট ঠেকে হানা দিয়ে অভিযুক্তকে পাকড়াও করা হয়। ধৃতকে প্রাথমিকভাবে জেরা করা হয়েছে। কিন্তু কেন ওই ব্যক্তিকে খুন করা হয়েছিল? পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পেরেছিল, আবাসিকরা পুজোর আগে বাড়ি যাওয়ার জন্য অনুমতি চেয়েছিল। কিন্তু সেই অনুমতি মেলেনি। সেই বিষয় নিয়ে মদন রানার সঙ্গে স্বপনদের ঝামেলা হয়েছিল ঘটনার রাতে। দু’জন অভিযুক্ত মদনকে খুনের ছক করেছিল। রান্নাঘর থেকে নোড়া নিয়ে গিয়ে মদনের মাথা থেঁতলে দেওয়া হয়। ঘটনার পরই দুই অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পুলিশ সিসিটিভি দেখে ঘটনার তদন্ত শুরু করে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.