Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Bardhaman

চেক ক্লোন করে দেড় কোটি টাকা জালিয়াতি! বর্ধমান পুরসভার কর্মীকে গ্রেপ্তার মহারাষ্ট্র পুলিশের

তিন ধাপে জালিয়াতি করে টাকা তোলা হয়েছিল বলে অভিযোগ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৭, ২০২৫, ১৮:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৭, ২০২৫, ১৮:১৫

options
link
চেক ক্লোন করে দেড় কোটি টাকা জালিয়াতি! বর্ধমান পুরসভার কর্মীকে গ্রেপ্তার মহারাষ্ট্র পুলিশের zoom
প্রতীকী ছবি
Advertisement

অর্ক দে, বর্ধমান: ব্যাঙ্কের চেক ক্লোন করে দেড় কোটি টাকা জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছিল বর্ধমান পুরসভার অ্যাকাউন্ট বিভাগের কর্মীর বিরুদ্ধে। তদন্তে মহারাষ্ট্র পুলিশ ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল। ধৃত ওই পুরকর্মীর নাম সমীর মুখোপাধ্যায়। সোমবার রাতে ধৃতকে বর্ধমান শহরের তাঁর বাড়ি থেকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চেক জালিয়াতি করে ওই টাকা মহারাষ্ট্রের ব্যাঙ্ক থেকে তোলা হয়েছিল বলে অভিযোগ। আজ, মঙ্গলবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। ট্রানজিট রিমান্ডে ধৃতকে মহারাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে তদন্তকারীদের তরফে।

গত বছর অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে তিন ধাপে বর্ধমান পুরসভার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে মোট দেড় কোটি টাকা খোয়া যায়। মহারাষ্ট্রের একটি ব্যাঙ্ক থেকে ওই টাকা তোলা হয়েছে বলে পরে জানা যায়। বিষয়টি নজরে আসতেই ব্যবস্থা নেয় পুর কর্তৃপক্ষ। ব্যাঙ্ক ও বর্ধমান পুলিশের কাছেও অভিযোগ জানানো হয় পুরসভার তরফে। মহারাষ্ট্র পুলিশের তদন্তে বর্ধমান পুরসভার কর্মী সমীর মুখোপাধ্যায়ের নাম উঠে আসে। এর আগে দু’বার ওই কর্মীকে মহারাষ্ট্রে তলব করা হয়েছিল। দু’বার জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছিল তাঁকে। সম্প্রতি সমীর মুখোপাধ্যায় আদালতে আগাম জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন। সেই মামলার কোনও রায় এখনও আদালত দেয়নি বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। তার আগেই গতকাল রাতে মহারাষ্ট্র পুলিশ বর্ধমানে হানা দিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

Advertisement

তদন্তকারীদের দাবি, সাইবার অপরাধীরা সাধারণত অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে টাকা তোলে। কিন্তু এক্ষেত্রে চেকের মাধ্যমে টাকা তোলায় বেশ কিছু সংশয় রয়েছে। পুলিশ তদন্তে নেমে পুরসভার ওই আধিকারিকের নাম পায়। তারপরই তাঁকে চিঠি দিয়ে ডাকা হয়। সর্ষের মধ্যে ভূত রয়েছে কি না, সেটা তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন। তিন ধাপে প্রায় দেড় কোটি টাকা তোলা হয়েছিল বলে অভিযোগ। মহারাষ্ট্রের ব্যাঙ্কের শাখার গাফিলতির কারণেই টাকা উঠেছে বলে মনে করা হয়। ব্যাঙ্কের তরফে পুরসভাকে ওই টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর।

বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান পরেশচন্দ্র সরকার জানিয়েছেন, টাকা জালিয়াতির ঘটনা জানার পরেই ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ ও থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছিল। পরে টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। আর কারা জড়িত আছে, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.