Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Madhyamik Result 2026

‘ভাবিইনি র‍্যাঙ্ক করব’, অবাক মাধ্যমিকের দ্বিতীয় সিউড়ির প্রিয়তোষ! তৃতীয় অঙ্কণের ইচ্ছে আইআইটি পড়ার

সকাল থেকেই টেলিভিশন সেটের সামনে বসেছিল ওরা। নিজের নাম দ্বিতীয় স্থানে ঘোষণা হতেই চমকে গিয়েছিল প্রিয়তোষ মুখোপাধ্যায়। বীরভূমের সরোজিনীদেবী সরস্বতী শিশু বিদ্যামন্দিরের ছাত্র প্রিয়তোষ আনন্দে আত্মহারা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো
সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২৬, ১৩:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো
সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২৬, ১৩:১৮

options
link
‘ভাবিইনি র‍্যাঙ্ক করব’, অবাক মাধ্যমিকের দ্বিতীয় সিউড়ির প্রিয়তোষ! তৃতীয় অঙ্কণের ইচ্ছে আইআইটি পড়ার zoom
মাধ্যমিকের দ্বিতীয় সিউড়ির প্রিয়তোষ! তৃতীয় অঙ্কণের ইচ্ছে আইআইটি পড়ার ।

সকাল থেকেই টেলিভিশন সেটের সামনে বসেছিল ওরা। নিজের নাম দ্বিতীয় স্থানে ঘোষণা হতেই চমকে গিয়েছিল প্রিয়তোষ মুখোপাধ্যায়। বীরভূমের সরোজিনীদেবী সরস্বতী শিশু বিদ্যামন্দিরের ছাত্র প্রিয়তোষ আনন্দে আত্মহারা। এত ভালো ফল হবে, ভাবতেই পারেনি সে। প্রিয়তোষ বলে, “ক্লাস নাইনের থেকে পড়াশোনা শুরু করেছিলাম। পরীক্ষা ভালো হয়েছিল। র‍্যাঙ্ক করব, তেমন কিছু ভাবিইনি।” দ্বিতীয় হয়ে খুব খুশি, তেমনই জানাচ্ছে সে। অন্যদিকে, পূর্ব মেদিনীপুরের অঙ্কণকুমার জানা মাধ্যমিকের সম্ভাব্য দ্বিতীয়। এগরায় বাড়ি, অঙ্কণের বাবা-মা দু’জনেই শিক্ষকতা করেন। তাঁর ইচ্ছে, আগামী দিনে আইআইটি পড়বে।

আজ, শুক্রবার সকাল সাড়ে ন’টায় মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ (Madhyamik Result 2026) হয়েছে। এবার প্রথম দশের মেধা তালিকায় মোট ১৩১ পড়ুয়া। এবার প্রথমস্থান দখল করেছে উত্তর দিনাজপুরের সারদা বিদ্যামন্দিরের অভিরূপ ভদ্র। দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে সিউড়ির প্রিয়তোষ মুখোপাধ্যায়। হাসিখুশি প্রিয়তোষ সকালে ফল শোনার জন্য টিভির সামনে বসেছিল। দ্বিতীয় স্থানে তাঁর নাম ঘোষণা হয়। প্রথমে হতবাক হয়েছিল সে। ভালো ফল হবে, কিন্তু দ্বিতীয় হবে! এমনটাই আশা করেনি প্রিয়তোষ। ফল প্রকাশের পর বিভিন্ন জায়গা থেকে শুভেচ্ছা আসতে শুরু করে। প্রতিবেশীরাও শুভেচ্ছা জানাতে বাড়িতে হাজির।

Advertisement

সিউড়ি সরোজিনীদেবী সরস্বতী শিশু মন্দিরের ছাত্র সে। পড়াশোনায় বরাবরই মেধাবী। তবে নবম শ্রেণির সময় থেকে আরও ভালো করে পড়াশোনা শুরু করে। মাধ্যমিকের সময় দিন-রাত এক করে পড়াশোনাও করেছে। বাবা-মা, দু’জনেই পেশায় শিক্ষক। সেজন্য তাঁরাও ছেলেকে পড়াশোনায় সাহায্য করেছেন। বাবা-মায়ের সান্নিধ্যে প্রিয়তোষ অনেকটাই উদ্ভুদ্ধ। ছেলের এই ফল (Madhyamik Result 2026) শুনে আনন্দে কেঁদে ফেলেছিলেন মা। তিনি বলেন,”ছেলে ছোট থেকেই খুব দুরন্ত। তবে একটা সময় বদল হয়। পড়াশোনায় মনোযোগী হয়ে ওঠে। এত ভালো ফল হবে, আশা করিনি। জীবনের বড় আনন্দ ছেলে দিল।” মা জানিয়েছেন, আগে প্রায় ধরেবেঁধে পড়তে বসাতে হত। এখন ছেলে বই ছাড়া কিছু জানে না। 

পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার বাসিন্দা অঙ্কণকুমার জানা মাধ্যমিকে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে। প্রায় সারাদিনই পড়াশোনায় মধ্যে ডুবে থাকে অঙ্কণ। বাবা বুদ্ধদেব জানা পেশায় শিক্ষক। মা গৃহবধূ। পরীক্ষার সময় দিনে আট-নয় ঘণ্টা পড়াশোনা করেছে সে। ভালো ফলের আশা করেছিল সে। পশ্চিম মেদিনীপুরের জাহালদাত এলাকায় বাড়ি। পড়ার জন্য ন’জন গৃহশিক্ষক ছিল। ড্রইং আর গান পছন্দের বিষয়। যদিও আঁকা নিয়ে এখন আর বসার সময় হয় না। এছাড়াও ক্রিকেট পছন্দ করে। মায়ের হাতে চিকেন বিরিয়ানি খুব প্রিয় অঙ্কণের। ছেলের এই সাফল্যে আত্মহারা বাবা-মা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.