Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Sangbad Pratidin

‘জীবন কা মতলব তো আনা অউর জানা হ্যায়’… প্রয়াত সংবাদ প্রতিদিন-এর সাংবাদিক বাবুল হক

মালদহের সুজাপুরের বাসিন্দা বাবুল ৯০ দশকে সংবাদ প্রতিদিনে যোগ দেন। ২০১০ সাল নাগাদ তিনি স্টাফ রিপোর্টার হন। জেলার সাংবাদিক মহলে বাবুল সদাহাস্য 'দাদা' হিসাবেই পরিচিত ছিলেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২৬, ১৭:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২৬, ১৭:০৬

options
link
‘জীবন কা মতলব তো আনা অউর জানা হ্যায়’… প্রয়াত সংবাদ প্রতিদিন-এর সাংবাদিক বাবুল হক zoom
প্রয়াত সংবাদ প্রতিদিন-এর মালদহের সাংবাদিক বাবুল হক। নিজস্ব চিত্র।
Advertisement

‘জীবন কা মতলব তো আনা অউর জানা হ্যায়।’ নিজের ছবিতে ‘শোর’ সিনেমার গান যুক্ত করে সোশাল মিডিয়ায় শেষ পোস্ট। সেটা ৩১ জুলাই। মাঝে কয়েকদিনের ব্যবধান। আজ ৯ আগস্ট। আর নেই ‘বাবুলদা।’  প্রয়াত সংবাদ প্রতিদিন-এর মালদহের সাংবাদিক প্রতিনিধি বাবুল হক। রবিবার ভোররাতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। দীর্ঘদিন লিভারের সমস্যায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৫৫। এদিন মালদহেই তাঁর দেহ কবরস্থ করা হবে। শোকের ছায়া মালদহ সাংবাদিক মহলে। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করে, পরিবারের সদস্যদের পাশে রয়েছে গোটা প্রতিদিন পরিবার।

মালদহের সুজাপুরের বাসিন্দা বাবুল ৯০ দশকে সংবাদ প্রতিদিন-এ যোগ দেন। ২০১০ সাল নাগাদ তিনি স্টাফ রিপোর্টার হন। জেলার সাংবাদিক মহলে বাবুল সদাহাস্য ‘দাদা’ হিসাবেই পরিচিত ছিলেন। ধর্মনিরপেক্ষতার দৃষ্টান্ত বাবুল নিজেই। তাঁর খবর সংগ্রহ ও রাজনৈতিক ‘কপি’ লেখার দক্ষতা ‘ঈর্ষনীয়’ ছিল সকলের কাছে। জেলার প্রশাসনিক মহলের আধিকারিক থেকে নেতাদের সঙ্গে তাঁর পরিচয় যে কোনও সাংবাদিকের কাছে ‘স্বপ্ন’। সঠিক সময়ে নিখুঁত কপি ধরানো নিয়ে বাবুলের সমগোত্রীয় কম খুবই পাওয়া যায়।

Advertisement

শুধু রাজনৈতিক নয়, সাংস্কৃতিক, হেলথ বিটের খবর সংগ্রহ ও লেখাতেও বাবুল ‘টেক্কা’ দিতেন সকলকে। কোনও খবর মিস হয়ে গেলে দুষতেন নিজেকে। বলতেন, “এটা আমি পেলাম না।” মালদহের বেতাজ বাদশা গনি খানের পরিবারের সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল বাবুলের। তাঁদের অন্দরের খবর তুলেছেন বহুবার। এহেন দাপুটে সাংবাদিক আর নেই ভাবতেই পারছে না মালদহের সাংবাদিক মহল। রবিবার তাঁর বড় মেয়ে রিয়া হক পিতার মৃত্যুসংবাদ দেন। রবিবার সকালে দেহ স্থানীয় প্রেস ক্লাবে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান সাংবাদিক মহল। দেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে সুজাপুরের বাড়িতে। সুজাপুরেই তাঁর দেহ কবরস্থ করা হবে। তিনি আর নেই। সোশাল মিডিয়ায় এখন জ্বলজ্বল করছে ‘বাবুলদা’র সেই পোস্ট। ছবির পিছনে বাজছে, ‘দো পল কে জীবন সে, এক উমর চুরানি হ্যায়।’

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.