Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
Suvendu Adhikari

অনুমতি ব্যতীত ভিনধর্মে বেচা যাবে না জমি? ল্যান্ড জেহাদ রুখতে আইন আনার ঘোষণা শুভেন্দুর

ভূমিপুত্রদের জমি কেড়ে নিচ্ছে বহিরাগত হানাদাররা! একবছর আগে উদ্বেগপ্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এবার পদক্ষেপ করবেন শুভেন্দু।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৬, ২০:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৬, ২০:৫৬

options
link
অনুমতি ব্যতীত ভিনধর্মে বেচা যাবে না জমি? ল্যান্ড জেহাদ রুখতে আইন আনার ঘোষণা শুভেন্দুর zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

অনুপ্রবেশের জন্য জনবিন্যাস পালটে যাচ্ছে সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলির! জাতীয় নিরাপত্তার জন্য তৈরি হচ্ছে বড়সড় চ্যালেঞ্জ! ভূমিপুত্রদের জমি কেড়ে নিচ্ছে বহিরাগত হানাদাররা! ঠিক এক বছর আগে স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে লালকেল্লা থেকে ল্যান্ড জেহাদ নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তখনও বাংলায় তৃণমূলের সরকার। এরপর রাজ্যে পরিবর্তন এসেছে। তৃণমূলের বিদায়ে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত বিজেপি সরকার। স্বাভাবিকভাবেই সেই ল্যান্ড জেহাদ ইস্যুতে এবার আইন আনার কথা ভাবছে রাজ্য। মঙ্গলবার বাঁকুড়ার প্রশাসনিক সভায় আরও একবার নিজেদের প্রতিজ্ঞার কথা স্মরণ করালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

বাঁকুড়ার সভা শেষে মুখ্যমন্ত্রী মনে করালেন হিন্দুদের স্বার্থরক্ষায় তাঁর সরকার একের পর এক পদক্ষেপ করে চলেছে। তিনি বলেন, “সীমান্তে জমি দিয়ে দিয়েছি (বিএসএফকে)। ওবিসির অবৈধ তালিকা বাতিল করে দিয়েছি। ইমাম-মোয়াজ্জেম ভাতা বন্ধ করে দিয়েছি। গোমাতার সম্মান রক্ষা করেছি। মহরম হয়েছে কিন্তু তলোয়ার বের করতে দিইনি। কিছুদিনের মধ্যে ইউসিসি আসবে।” মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা, “আর দুটো কাজ আমার বাকি। ধর্ম পরিবর্তন আর জমি কেনাবেচার ক্ষেত্রে আইন আনা। এ কাজও আমি করছি।”

Advertisement

জমি কেনাবেচার ক্ষেত্রে কী ধরনের আইন আনবে রাজ্য সরকার, সেটা নিয়ে কোনও ইঙ্গিত দেননি মুখ্যমন্ত্রী। তবে আরেক সীমান্তবর্তী বিজেপি শাসিত রাজ্য অসমে জমি কেনাবেচা সংক্রান্ত কড়া আইন রয়েছে। অসমে হিমন্ত বিশ্বশর্মার সরকারের তৈরি নিয়ম অনুযায়ী, সরকারের অনুমতি ব্যতীত অন্য ধর্মের মানুষের কাছে জমি বিক্রি করা যায় না। যদি অসমের কোনও বাসিন্দা ভিনধর্মের কারও কাজে জমি বিক্রি করতে চান তাহলে গোটা প্রক্রিয়া সরকার খতিয়ে দেখবে। যে জমি কিনছে তাঁর রোজগারের উৎস খতিয়ে দেখবে সরকার। খতিয়ে দেখা হবে, ওই জমি বিক্রির ফলে ওই এলাকার সামাজিক সংহতি বজায় থাকছে কিনা। ওড়িশাতেও এই ধরনের কড়া জমি কেনা-বেচার কড়া আইন রয়েছে।

আগামী দিনে শুভেন্দু অধিকারীও কি সেই পথে হেঁটেই কড়া ল্যান্ড জেহাদ আইন আনবেন? সম্ভাবনা তেমনই। কারণ অসম এবং বাংলা অবস্থানগতভাবে অনেকটা একই রকম। তাছাড়া শুভেন্দু অধিকারীর সরকার এ পর্যন্ত অনেক ক্ষেত্রেই হিমন্তর পদাঙ্ক অনুসরণ করেছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.