Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Nadia

‘অশান্তি দূর’ করার নামে তিনদিন বাস সন্ন্যাসিনীর! গোটা পরিবারকে অজ্ঞান করে সর্বস্ব লুট

বাড়িতে থেকে ওই গৃহস্থের অশান্তি দূর করবেন, এমনই কথা দিয়েছিলেন এক সন্ন্যাসিনী। সেই মতো ওই পরিবারের সঙ্গেই তাঁদের বাড়িতে থেকেছিলেন তিনি। কিন্তু অশান্তি দূর করা তো পরের কথা! সাক্ষাৎ 'অশান্তির দূত' হলেন ওই সন্ন্যাসিনী! মাদক বা ঘুমের ওষুধ দিয়ে পরিবারের সকলকে অজ্ঞান করে টাকাপয়সা, গয়না নিয়ে চম্পট দিয়েছেন ওই ভণ্ড!

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ১৩:৪৯

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ১৩:৪৯

options
link
‘অশান্তি দূর’ করার নামে তিনদিন বাস সন্ন্যাসিনীর! গোটা পরিবারকে অজ্ঞান করে সর্বস্ব লুট zoom
ছবি-এআই

বাড়িতে থেকে ওই গৃহস্থের অশান্তি দূর করবেন, এমনই কথা দিয়েছিলেন এক সন্ন্যাসিনী। সেই মতো ওই পরিবারের সঙ্গেই তাঁদের বাড়িতে থেকেছিলেন তিনি। কিন্তু অশান্তি দূর করা তো পরের কথা! সাক্ষাৎ ‘অশান্তির দূত’ হলেন ওই সন্ন্যাসিনী! মাদক বা ঘুমের ওষুধ দিয়ে পরিবারের সকলকে অজ্ঞান করে টাকাপয়সা, গয়না নিয়ে চম্পট দিয়েছেন ওই ভণ্ড! আজ, রবিবার সকালে ওই পরিবারের সকলকে বাড়ির ভিতরে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করেন প্রতিবেশীরা। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার চাপড়া থানা এলাকায়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

চাপড়া থানা পিঁপড়াগাছি পঞ্চায়েতের চাড়াতলা গ্রামে বাড়ি কার্তিক প্রামাণিকের। তাঁদের বাড়িতে প্রায়শই সাংসারিক অশান্তি হয় বলে খবর। সেই নিয়ে পরিবারের সদস্যরাও অস্থির হয়ে উঠেছিলেন। এদিকে দিন কয়েক আগে এক সন্ন্যাসিনীর সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল কার্তিকের। ওই মহিলা কার্তিককে জানিয়েছিলেন, বাড়িতে অশান্তি রয়েছে, সেসব কাটানোর জন্য বাড়িতে গিয়ে থাকার প্রয়োজন রয়েছে। কিছুদিন ওই বাড়িতে থাকলে পরিবারের সব অশান্তি তিনি দূর করবেন, এই আশ্বাসবাণী কার্তিককে দিয়েছিলেন! 

Advertisement

সাতপাঁচ না ভেবে ওই সন্ন্যাসীনিকে নিজের বাড়িতে নিয়ে এসেছিলেন কার্তিক। শুধু তাই নয়, থাকার ব্যবস্থাও করা হয়েছিল কোনও কিছু না ভেবেই। সেই বিশ্বাসেই গত তিনদিন ধরে ওই পরিবারের সঙ্গেই ছিলেন ওই সন্ন্যাসীনি। শেষপর্যন্ত কার্যত উধাও হয়ে গেলেন তিনি!

সাতপাঁচ না ভেবে ওই সন্ন্যাসিনীকে নিজের বাড়িতে নিয়ে এসেছিলেন কার্তিক। শুধু তাই নয়, থাকার ব্যবস্থাও করা হয়েছিল কোনও কিছু না ভেবেই। সেই বিশ্বাসেই গত তিনদিন ধরে ওই পরিবারের সঙ্গেই ছিলেন ওই সন্ন্যাসিনী। শেষপর্যন্ত কার্যত উধাও হয়ে গেলেন তিনি! স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ রবিবার সকালে ওই পরিবারের কারওই কোনও সাড়া মিলছিল না। সময় পেরিয়ে গেলেও কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীরা ওই বাড়িতে ঢুকে হতবাক হন! দেখা যায়, বাড়ির দরজা খোলা। ভেতরে সমস্ত আসবাবপত্র ছড়িয়েছিটিয়ে পড়ে রয়েছে।

পরিবারের পাঁচ সদস্যকেই অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়! বাড়ির ভিতর ওই সন্ন্যাসিনীকে পাওয়া যায়নি। আশঙ্কা করা হয়, বাড়ির সমস্ত টাকাপয়সা, গয়না, দামি জিনিসপত্র নিয়ে চম্পট দিয়েছেন ওই মহিলা! খবর দেওয়া হয় চাপরা থানায়। ওই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে উদ্ধার করে দ্রুত কৃষ্ণনগর শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁরা চিকিৎসাধীন। তবে বেলা পর্যন্ত তাঁদের সম্পূর্ণভাবে জ্ঞান না ফেরায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেনি বলে খবর। ঠিক কী কী বাড়ি থেকে খোয়া গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের পরই জানা যাবে বলে পুলিশ সূত্রে বলা হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয় ওই মহিলার খোঁজ শুরু করেছে মহিলা। ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.