Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
Census

কাউন্সিলর নেই, অসহযোগিতা পঞ্চায়েতের! সচেতনতার অভাবে সমস্যা গৃহগণনায়

রকারি আধিকারিকদের বক্তব্য, অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিচুতলার জনপ্রতিনিধি অর্থাৎ কাউন্সিলর-পঞ্চায়েত সদস্যরা সামগ্রিকভাবে এগিয়ে না আসায় সাধারণ মানুষ গৃহগণনায় জনগণনাকারীদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন না।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৬, ১৩:৩৩

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৬, ১৩:৩৩

options
link
কাউন্সিলর নেই, অসহযোগিতা পঞ্চায়েতের! সচেতনতার অভাবে সমস্যা গৃহগণনায় zoom
এআই দ্বারা নির্মিত ছবি।
Advertisement

জনগণনার (Census) দ্বিতীয় ধাপ ‘গৃহগণনা’ পর্বে জনসচেতনতা সার্বিকভাবে না হওয়ায় বাড়ি বাড়ি পরিদর্শনে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন সরকারি গণনাকারী ‘এনুমারেটররা’। কারণ, রাজ্যের একটা বড় অংশের মানুষ এখনও জনগণনার বিষয়টি অবগত হননি বলে প্রক্রিয়ায় যুক্ত শীর্ষ সরকারি কর্তাদের কাছে অভিযোগ করেছেন এনুমারেটর, সুপারভাইজার এবং ইনচার্জ অফিসাররা। অবশ্য বিষয়টি নিয়ে সরকারি পর্যায়ের বৈঠকে এই অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন ব্লকে জনগণনা নিয়ে প্রচারের হোর্ডিং লাগানো শুরু হয়েছে। এমনকী, মাইকে প্রচারও করা হচ্ছে বিভিন্ন থানা ও পুরসভার মাধ্যমে। যদিও সরকারি আধিকারিকদের বক্তব্য, অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিচুতলার জনপ্রতিনিধি অর্থাৎ কাউন্সিলর-পঞ্চায়েত সদস্যরা সামগ্রিকভাবে এগিয়ে না আসায় সাধারণ মানুষ গৃহগণনায় জনগণনাকারীদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন না।

জনগণনায় যুক্ত রাজ্যের একাধিক জেলার আধিকারিকরা স্বীকার করেছেন, গৃহগণনার মতো বাড়ি বাড়ি যাওয়ার কর্মসূচি বাস্তবায়নে নিচুতলার জনপ্রতিনিধি অর্থাৎ কাউন্সিলর এবং পঞ্চায়েত সদস্যদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু কলকাতার মতো রাজ্যের বহু পুরসভায় বোর্ড ভেঙে যাওয়ায় যেমন কাউন্সিলররা নেই তেমনই অনেক ক্ষেত্রে পুরবোর্ড থাকলেও তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা অনেকেই সরকারি এই কর্মসূচিতে খুব একটা আগ্রহ দেখাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, রাজ্যের দুটি বাদে সমস্ত জেলা পরিষদ এখনও তৃণমূলের দখলে। অধিকাংশ পঞ্চায়েত সমিতি ও পঞ্চায়েতগুলিও তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরাই পরিচালনা করেন।

Advertisement

বিজেপির অভিযোগ, বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর এই সমস্ত জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধিরা অনেকেই হয় অফিসে আসছেন না, নয়তো এলাকাছাড়া। স্বাভাবিকভাবে যাঁরা পঞ্চায়েত বা জেলা পরিষদ অথবা সমিতির অফিসে আসছেন তাঁরা কীভাবে জনগণনায় সাহায্য করবেন? বস্তুত একই ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে কলকাতা বা হাওড়া কর্পোরেশন এলাকায়। দুটি ক্ষেত্রেই কাউন্সিলররা না থাকায় জনগণনায় বাড়ি বাড়ি যাওয়া সরকারি প্রতিনিধিরা কোনও সাহায্য বা সহযোগিতা পাচ্ছেন না। পুরসভার এক শীর্ষ আধিকারিক শুক্রবার স্বীকার করেন, তৃণমূল পুরবোর্ড থাকায় এসআইআর বা দুয়ারে সরকারের মতো প্রকল্প নিয়েও কাজ করতে গিয়ে কাউন্সিলরদের যথেষ্ট সহযোগিতা পাওয়া গিয়েছিল। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বা ভোটার তালিকার কাজ করতে গিয়েও নির্বাচন কমিশনের কর্মীরাও কাউন্সিলর বা রাজনৈতিক দলের কর্মীদের কাছ থেকে আগে প্রচুর সাহায্য পেতেন। তাঁরাই বুথে বুথে মানুষের মধ্যে প্রচার করে জনসচেতনতা গড়ে তুলতেন। কিন্তু রাজ্যে পালাবদলের পর কাউন্সিলরহীন পুরসভা বা পঞ্চায়েতগুলিতে জনপ্রতিনিধিদের তরফে পাড়ায় পাড়ায় সেই ধরনের কোনও প্রচার না হওয়ায় বাসিন্দাদের জনগণনার বিষয়টি সম্পর্কে সম্যক ধারণা তৈরি হয়নি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.