Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
Bishnupur

সিলিন্ডার বদলের সময় গ্যাস লিক, অগ্নিদগ্ধ কলকাতা পুলিশের এএসআই -সহ ৩

ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য এলাকায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১, ২০২৫, ১৬:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১, ২০২৫, ১৬:৪৮

options
link
সিলিন্ডার বদলের সময় গ্যাস লিক, অগ্নিদগ্ধ কলকাতা পুলিশের এএসআই -সহ ৩ zoom
ঘটনাস্থলে পুলিশ।
Advertisement

অসিত রজক, বিষ্ণুপুর: গ্যাস লিক করে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। ঝলসে গেলেন কলকাতা পুলিশের এক অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর। আহত হয়েছেন তাঁর বৃদ্ধ শ্বশুর, শাশুড়ি। তাঁরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুড়ে ছাই বাড়ির একাংশ। শুক্রবার রাতে ভয়াবহ ঘটনাটি ঘটেছে বিষ্ণুপুরের আকুঞ্জিপাড়া এলাকায়। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য এলাকায়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আহতদের নাম সঞ্জয় কুণ্ডু, জগন্নাথ পাল ও সবিতা পাল। জগন্নাথ পাল বিষ্ণুপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের আকুঞ্জিপাড়ার বাসিন্দা। প্রথম জীবনে জগন্নাথবাবু ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি তাঁর বাড়িতে আসেন জামাই কলকাতা পুলিশের এএসআই সঞ্জয় কুণ্ডু। রাতে খাবার তৈরি করতে যান সঞ্জয়ের শাশুড়ি সবিতাদেবী। সেই সময় সিলিন্ডারের গ্যাস শেষ হয়ে যায়। নতুন সিলিন্ডারে সংযোগ করতে গেলে গ্যাস লিক করতে থাকে। গন্ধ পেয়ে তাঁকে সাহায্য করতে রান্নাঘরে যান স্বামী জগন্নাথ ও জামাই সঞ্জয়। তিনজনেই মিলে কোনও মতে ওভেনের সঙ্গে কানেকশন জোড়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তখনই ঘটে বিপত্তি! ঘরে জমে থাকা গ্যাসে আগুন লেগে মুহূর্তে দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে রান্নাঘর। ঘরে দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বাকি অংশে। ঝলসে যান তিনজনেই।

Advertisement

চিৎকার শুনে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। প্রাথমিকভাবে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে তারা। খবর দেওয়া হয় পুলিশ ও দমকলকে। বিষ্ণুপুর দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় গুরুতর দগ্ধ তিনজনকে তড়িঘড়ি ভর্তি করা হয় বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, কারও শরীরের ৮০ শতাংশ, কারও ৭০শতাংশ আবার কারও ৬০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। খবর পেয়ে হাসপাতালে যান পুরসভার চেয়ারম্যান, বিধায়ক, কাউন্সিলর। পরিবার ও চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.