অর্ণব দাস, বারাসত: কিডনি পাচার চক্র আরও কত দূর বিস্তৃত? তদন্ত যত গভীরে যাচ্ছে, ততই যেন কেঁচো খুঁড়তে কেউটে উঠে আসছে! এবার তদন্তে অশোকনগরের কিডনি পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কলকাতার একজন নেফ্রোলজিস্টের নাম হাতে পেলেন তদন্তকারীরা। দাতাদের কাছ থেকে ওই নেফ্রোলজিস্টের নাম জানতে পেরেছিল অশোকনগর থানার পুলিশ। তাঁকে নাগালে পেতে এবার মরিয়া পুলিশ।
তদন্ত সূত্রে খবর, বছর ১০-১২ আগেও সেই নেফ্রোলজিস্টের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছিল কলকাতা পুলিশের একটি থানা। কিন্তু আইনের ফাঁকে গলে সেবারের মত পার পেয়ে যান গুণধর সেই চিকিৎসক। এবার কিডনি পাচার চক্রের সঙ্গে তাঁর যোগসূত্র পাওয়ায় চারিদিক থেকে ঘিরতে আইনের শক্ত জাল বুনতে শুরু করেছেন বারাসত জেলা পুলিশের দুঁদে কর্তারা। তাই একটি নয়, অশোকনগরের কিডনি বিক্রির আরও দু-তিনটি মামলা রুজু করতে চলেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, যার অভিযোগের ভিত্তিতে অশোকনগর থানার পুলিশ কিডনি পাচারের তদন্ত শুরু করেছে, তাঁর স্ত্রীর কিডনি দানের ক্ষেত্রে জেলাস্তর থেকে ‘নট রেকমেন্ড’ হয়েছিল। কিন্তু অদৃশ্য কোনও অঙ্গুলিহেলনে পরে তা ‘রেকমেন্ড’ হয়। একইভাবে সুদখোর শীতলের চাপে একাধিক কিডনি বিক্রেতারও জেলাস্তরে ‘নট রেকমেন্ড’ পরবর্তীতে সর্বোচ্চ স্তরে গিয়ে ‘রেকমেন্ড’ হয়েছিল।
বিগত দেড়-দু’বছরে বারাসত মহকুমা এলাকায় কমবেশি ২৫জন কিডনি দান করতে চান বলে জেলাস্তরে আবেদন করেছিলেন। সূত্রের খবর এরমধ্যে প্রায় ১৫টি ‘নট রেকমেন্ড’ হয়েছিল জেলাস্তর থেকে। এরমধ্যে কটি সর্বোচ্চ স্তরে ‘রেকমেন্ড’ হয়েছিল, তাতে সেই নেফ্রোলজিস্টেরই ভূমিকা ছিল কি না, তাও ইতিমধ্যে খতিয়ে দেখা শুরু করেছেন তদন্তকারীরা। বারাসত জেলা পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝাড়খরিয়া জানিয়েছেন, “তদন্ত চলেছে। সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের বয়ান যাচাই চলছে।”
সর্বশেষ খবর
-
কাটছে জট! জার্মানির সঙ্গে বৃহত্তম সাবমেরিন চুক্তির পথে দিল্লি, ভারত মহাসাগরে ভাঙবে ‘ড্রাগনে’র জাল?
-
দুষ্কৃতীদের ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা, ভাঙচুর পুলিশের গাড়ি! চাঞ্চল্য দুর্গাপুরে
-
রক্ত দেওয়ার পর ক্লান্ত লাগছে, কী হয় শরীরের অন্দরে, কীভাবে ফিট হবেন?
-
‘আমি গর্বিত দিমাগি নকশাল’, মোদির বার্তার পর পোস্ট কংগ্রেস নেতার, ‘শিক্ষা’ দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
-
এবার বাসেই জোকা টু নৈহাটি! বড়মার সঙ্গে জুড়ে যাবে তারাপীঠও, বড় ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুনের