Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Sundarbans

সুন্দরবনে নৌকায় বেঁধে অত্যাচার, কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি! পুলিশি তৎপরতায় উদ্ধার দম্পতি

অভিযুক্তের খোঁজে পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫, ২০:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫, ২০:০৫

options
link
সুন্দরবনে নৌকায় বেঁধে অত্যাচার, কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি! পুলিশি তৎপরতায় উদ্ধার দম্পতি zoom
প্রতীকী ছবি

অর্ণব দাস, বারাকপুর: পুলিশ সেজে দম্পতিকে অপহরণ! পরিবারের কাছে কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি! এদিকে অপহৃতদের হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছিল সুন্দরবনের খাঁড়ির নৌকায়। পুলিশকে খবর দিয়ে এলাকায় গেলে বারবার বদল করা হয় ঠিকানা। অবশেষে পুলিশের ভয়ে অপহৃতদের ছেড়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। রহড়া থানার পুলিশের তৎপরতায় সোমবার উদ্ধার হল ইটখোলার বাসিন্দা অপহৃত ওই দম্পতিকে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত সদ্য জেল থেকে ছাড়া পাওয়া দক্ষিণ ২৪ পরগনার দুষ্কৃতী হাকিম লস্কর। সে পলাতক। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চলছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বন্দিপুর মোড়ল পাড়ার বাসিন্দা অপহৃত হওয়া ব্যক্তি পেশায় দিনমজুর। তাঁর স্ত্রীর নামে একাধিক চুরির অভিযোগ রয়েছে। গত ১৪ তারিখ রাত আনুমানিক দেড়টা নাগাদ কয়েকজন দুষ্কৃতী পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাঁদের বাড়ি ঢোকে। এরপর জিঙ্গাসাবাদের নাম করে তাঁদের তুলে নিয়ে যায়! পরদিনই পরিবারের কাছে ফোন আসে। সেখানে সদস্যদের কাছে এক কোটি টাকা ও কিছু সোনার গয়না মুক্তিপণ হিসাবে দাবি করা হয়। না হলে ওই দম্পতিকে খুন করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

Advertisement

এরপরই দম্পতির মেয়ে রহড়া থানার দারস্থ হন। তদন্তে নেমে পুলিশ গাড়ির নম্বরের সূত্র ধরে অপহরণকারীদের খোঁজ শুরু করে। একইসঙ্গে পুলিশের পরামর্শে অপহরণকারীদের সঙ্গে দরাদরি শুরু করে পরিবার। মুক্তিপণ ঠিক হওয়ার পর অপহরণকারীরা দম্পতির পরিবারকে জানায় নরেন্দ্রপুর থানার কামালগাজি মোড়ে টাকা নিয়ে আসতে হবে। এই খবর পেয়েই সেখানে সাদা পোশাকে পুলিশ পৌঁছয়। তা বুঝতে পেরে অপহরণকারীরা জায়গা বদলে ফেলে। পরে বলা হয় বারুইপুরে টাকা নিয়ে যেতে হবে। সেখানে গেলে আবার অপহরণকারীরা জানায়, জয়নগরের বকুলতলা প্রিয়র মোড়ে যেতে হবে। সেখানেও পুলিশ সাদা পোশাকে এলাকা ঘিরে নেয়। ঘিরলে দুষ্কৃতীরা তা বুঝতে পেরে অপহৃতের মেয়ের হুমকি দিতে থাকে। এরইমধ্যে পুলিশ অপহরণে ব্যবহৃত গাড়ি শনাক্ত করে জানতে পারেন, গোটা ঘটনার মাস্টার মাইন্ড কুলতলির হাকিম নস্কর। এরপরই তাঁর ডেরায় হানা দেয় পুলিশ। যদিও সেখান থেকে কাউকে ধরা যায়নি। তবে, পুলিশের ভয়ে দম্পতিকে ছেড়ে দেয় দুষ্কৃতীরা।

এরপর সোমবার রাতে জয়নগর স্টেশন চত্বর থেকে ওই দম্পতিকে উদ্ধার করে পুলিশ। দম্পতির থেকে তদন্তকারীরা জানতে পারে, সুন্দরবনের জঙ্গল ঘেরা খাঁড়িতে থাকা নৌকায় তাদের হাত-পা বেঁধে ফেলে রাখা হয়েছিল। মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। কিন্তু কেন দম্পতিকে অপহরণ করা হল?  প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, চুরি সংক্রান্ত কোনও সমস্যা, বা বড় কোনও চুরির মাল অপহৃতদের বাড়িতে রয়েছে। সেই সন্দেহে অপহরণের ঘটনা ঘটতে পারে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.