চুনোপুটি নন। বড় বড় নেতাদের সঙ্গে ওঠা বসা। হুগলি জেলায় মমতা-অভিষেকের সভায় একেবারে প্রথমদিকের সারিতে আসন পাকা। জেলা পরিষদের প্রাক্তন তৃনমূল সদস্য সুরজিৎ মণ্ডল, যিনি নাকি শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবেই পরিচিত এলাকায়। হেভিওয়েট নেতার ঘনিষ্ঠ বলে কথা, আর সেই ক্ষমতা কাজে লাগিয়েই দিনের পর দিন করে গিয়েছেন দুর্নীতি। অভিযোগ, তৃণমূল জমানায় এই সুরজিৎ মণ্ডল এলাকার ব্যবসায়ীদের ত্রাস হয়ে উঠেছিলেন।

পুলিশ সূত্রের খবর, এক ব্যক্তিকে ভয় দেখিয়ে ১০ লক্ষ টাকা আদায় করেছিলেন ওই তৃণমূল নেতা। টাকা আদায়ের প্রমাণও পুলিশের হাতে তুলে দেয় ওই অভিযোগকারী। এখানেই শেষ নয়, টাকা দিতে না পারলে চলত হুমকি। এমনকী পঞ্চায়েত ভোট পরবর্তী হিংসাতেও নাম জড়িয়েছিল ওই তৃণমূল নেতার। এবার পুলিশের জালে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা সুরজিৎ মণ্ডল।

জানা গিয়েছে, সুরজিৎ হুগলি জেলা পরিষদের প্রাক্তন তৃনমূল সদস্য। তার স্ত্রী বর্তমানে জেলা পরিষদের সদস্য। অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি দখল, বিজেপি কর্মীদের উপর দিনের পর দিন অত্যাচার করেছেন সুরজিৎ। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা হওয়ায় তার বিরুদ্ধে ভয়ে মুখ খুলতে পারেনি কেউ। রাজ্যে পালাবদলের পরেই সামনে আসে সুরিজতের কীর্তি। বিজেপি কর্মী মঞ্জু ঘোষ জানান, “২০১৭ সালে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে ১৭ টি মামলা দেওয়া হয়েছে। আগে ছেঁড়া জামা পরে ঘুরতেন, এখন সেই সব তৃনমূল নেতাদের প্রতিপত্তি দেখে তাক লেগে যাবে।” রবিবার চণ্ডীতলা থানা থেকে তাঁকে শ্রীরামপুর আদালতে তোলা হয়। থানা থেকে বের করতেই রে রে করে ওঠেন বিজেপি কর্মীরা। ওঠে ‘চণ্ডীতলার চোর’ স্লোগান।
সর্বশেষ খবর
-
সমুদ্র স্নানে নিষেধাজ্ঞা, দুর্যোগের পূর্বাভাসে দিঘা-মন্দারমণিতে পর্যটকদের জন্য বড় নির্দেশিকা
-
যুদ্ধের দামামা এবার লোহিত সাগরে! ইয়েমেনের কাছে বাণিজ্যিক জাহাজে মারণ হামলা, নেপথ্যে কারা?
-
সুসম্পর্ক বজায় রাখাই লক্ষ্য! নিজের হাতে চা বানিয়ে স্থানীয়দের খাওয়ালেন বিজেপি বিধায়ক
-
ভোজিনহাদের দেখতে বিমানবন্দরে অগণিত ভক্ত, বিশ্বকাপে স্বপ্ন-সফর শেষে বিরাট লক্ষ্মীলাভ কেপ ভার্দের
-
‘অনুদান গণনায় আমার ভূমিকা নেই’, নীরবতা ভেঙে সাফাই রাম মন্দির ট্রাস্টের কোষাধ্যক্ষের