শুক্রবার দুপুরে হরিণঘাটা গ্রামীণ হাসপাতালে পরিদর্শনে যান বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকার। হাসপাতালে খুঁটিনাটি তো খতিয়ে দেখার পাশাপাশি হাসপাতালের জমিতে গজিয়ে ওঠা অবেধ নির্মাণ নজরে আসে বিধায়কের। হাসপাতালের জমির কোথাও একতলা তো কোথাও আবার দোতলা পাকা বাড়ি। পরিদর্শনে যেতেই চোখ কপালে হরিণঘাটার বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকারের।
দ্বিতীয়বার বিধায়ক হওয়ার পর শুক্রবার দুপুরে অসীম সরকার হরিণঘাটা গ্রামীণ প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়েই অবাক বিজেপি বিধায়ক! দেখা যায়, হাসাপাতালের জমিতেই গজিয়ে উঠেছে আস্ত একখানা পাড়া। সরকারি জমিতে পাকা বাড়ি বানিয়ে বাস করছেন বহু মানুষ। কোনও কোনও বাড়ি আবার দোতলাও নির্মাণ হয়ে গিয়েছে। হাসপাতাল পরিদর্শনে আসতেই বিজেপি বিধায়কের নজর আসে এই ‘অবৈধ’ নির্মাণগুলি। বাড়ি বাড়ি দলবল নিয়ে পৌঁছে গিয়ে বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। কার মদতে সরকারি জমিতে বেআইনি নির্মাণ?
বিধায়কের প্রশ্নে উঠে আসে নতুন তথ্য। সরকারি জমিতে বসবাসকারী সকলের মুখে মুখে ঘুরতে থাকে একটাই নাম। সেটা হল রাজীব দালাল। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেন, তাঁদের কাছে কোনও বৈধ কাগজপত্র নেই। তাঁদের বক্তব্য, পুরসভার কাউন্সিলর রাজীব দালালই তাদের ঘর পাইয়ে দিয়েছেন। যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানেন না বলেই দাবি করেন বাসিন্দারা।
আরও পড়ুন:
এই ঘটনায় কড়া বার্তা দেন বিধায়ক অসীম সরকার। তিনি জানান, “সরকারি জমিতে বেআইনিভাবে যারা বসবাস করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।” পাশাপাশি হাসপাতালের পরিষেবা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। অভিযোগ ওঠে, রোগীরা ঠিকমতো পরিষেবা পাচ্ছেন না, এমনকি হাসপাতাল চত্বরে বেআইনিভাবে ওষুধ বিক্রিও চলছে। হাসপাতালের পরিকাঠামো ও পরিষেবা উন্নত করতে কী কী প্রয়োজন রয়েছে, সে বিষয়ে বিএমওএইচ-এর কাছে লিখিত রিপোর্ট তলব করেন বিধায়ক। তিনি জানান, রিপোর্ট হাতে পেলেই সরকারিভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে জানান বিধায়ক।
সর্বশেষ খবর
-
‘শাহরুখ কাজ ছাড়া কিছুই বোঝেন না’, ‘কিং’ শুটিংয়ের অনবদ্য অভিজ্ঞতা জানালেন খরাজ
-
‘প্লিজ, ছেড়ে যেও না’, নেইমারকে কাতর আর্তি বাবার, অবসর ভেঙে ফিরবেন ব্রাজিল মহাতারকা?
-
‘শুধু খেলতে আসিনি, দেখিয়ে দিলাম জিততে এসেছি’, বলছেন ব্রাজিল বধের নায়ক হালান্ড
-
পরিবারের জন্য অপরিহার্য পাঁচ জরুরি বিমা কভার, জেনে নিন বিস্তারিত
-
দুই রাজ্যে দুই সংসার, দ্বিতীয় স্ত্রীকে রেখে ৪০ বছর পর প্রথমার সন্তানদের কাছে ফিরলেন মোতাহার