Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Murshidabad

ইকবালের মতোই জলে ডুবে থাকে তার দিদি-বোনেরাও! ‘বাপমরা মেয়েগুলো’র চিন্তায় চোখে জল মায়ের

চিকিৎসার প্রয়োজন বুঝতে পারছেন, কিন্তু খরচ আসবে কোথা থেকে, জানা নেই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৬, ২৩:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৬, ২৩:২৪

options
link
ইকবালের মতোই জলে ডুবে থাকে তার দিদি-বোনেরাও! ‘বাপমরা মেয়েগুলো’র চিন্তায় চোখে জল মায়ের zoom
ইকবালের মতোই পুকুরে ডুবে থাকে তার দিদি-বোনেরাও।
Advertisement

শুধু ইকবাল হোসেন নন। তাঁর দিদি-বোনেরাও একই ভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভেসে থাকেন পুকুরে। জানা গিয়েছে, তাদেরও নাকি একইরকম শরীরে জ্বালা অনুভূত হয়, যে কারণে যখন তখন জলে নেমে ডুবে থাকে তারাও। সম্প্রতি ইকবালের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার মুম্বইয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা হয় তার। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে ৩ মেয়ের চিন্তায় ইকবালের জেঠিমা। চিকিৎসার প্রয়োজন বুঝতে পারছেন, কিন্তু খরচ আসবে কোথা থেকে, জানা নেই।

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার বড়ুয়ার ফরাজিপাড়া গ্রামে ইকবালদের বাড়ির পাশেই তার জেঠুর বাড়ি। চার বছর আগে জেঠু গত হয়েছেন। ৩ মেয়েকে ওই বাড়িতেই থাকেন বছর বিয়াল্লিশের গুলশন। তিনি জানিয়েছেন, “ইকবালের মতো তাঁর তিন মেয়েরও একইরকমভাবে গা জ্বালা করে। সকাল-বিকেল যখন তখন পুকুরে নেমে পড়ে মেয়েরা।” তাঁর কথায়, “সারা দিনে কত বার যে স্নান করে, তা গুনে বলা যাবে না। এই কারণে ওদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা হয়।”

Advertisement

গুলশন জানাচ্ছেন, তাঁর তিন মেয়ে এবং এক ছেলে। ছোটবেলার ভালোই ছিল তিন মেয়ে। বয়স ১০-১২ বছর হতেই এরকম অস্বাভাবিকতা লক্ষ করেন তিনি। ধীরে ধীরে তাদের ওজনও বাড়তে খাতে, বর্তমানে তিনজনের ওজন ১০০ কেজিরও বেশি। গুলশনও জানেন, মেয়েদের চিকিৎসা প্রয়োজন। কিন্তু টাকার অভাবে তা সম্ভব হয়ে উঠছে না। তিনি বলেন, ‘বেসরকারি মাদ্রাসায় পরিচারিকার কাজ করি। মাসে তিন হাজার টাকা আয়। ওই টাকায় কোনওরকমে সংসার চলে। আত্মীয়, এলাকার মানুষও সাহায্য করেন। কিন্তু তিন মেয়ের চিকিৎসার খরচ চালাব কী করে?’

মুর্শিদাবাদের ১৭ বছরের কিশোর ইকবালের বিরল রোগ নিয়ে চিন্তায় পড়েছিলেন পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা। সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় তার একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানে তাকে গলা পর্যন্ত জলে ডুবে থাকতে দেখা যায়। এই ভিডিও ভাইরাল হতেই তার চিকিৎসার দায়িত্ব নেয় রিলায়েন্স গ্রুপ। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর অনন্ত আম্বানির হস্তক্ষেপে ইকবাল শেখকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মুম্বইয়ে। সেখানে স্যার এইচএন রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, জলে ভেসে থাকার ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় ইকবালের চিকিৎসার সুযোগ হয়েছে মুম্বইতে। স্থানীয়দের আশা, এবার তার দিদি-বোনেরাও তেমনই কোনও সাহায্যের আশ্রয়ে আসুক।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.