Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
Anubrata Mondal

‘আইপ্যাকই ভরাডুবির কারণ’, হারের পর বিস্ফোরক নির্বাচনে ‘নিষ্ক্রিয়’ অনুব্রত

দলের পরাজয়, সাংগঠনিক পরিস্থিতি, আইপ্যাকের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ও তাঁকে কোনও বিশেষ দায়িত্ব না দেওয়া নিয়ে একের পর বোমা ফাটালেন 'একদা' বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রত।

Advertisement
দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০২৬, ০০:২৬

link
দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০২৬, ০০:২৬

options
link
‘আইপ্যাকই ভরাডুবির কারণ’, হারের পর বিস্ফোরক নির্বাচনে ‘নিষ্ক্রিয়’ অনুব্রত zoom
আইপ্যাকের বিরুদ্ধে টাকা তোলার মারাত্মক অভিযোগও তুলেছেন অনুব্রত। নিজস্ব চিত্র।

তৃণমূলের হার নিয়ে মুখ খুললেন বীরভূমের অনুব্রত মণ্ডল। ছাব্বিশের নির্বাচনে দলের ভরাডুবি জন্য দায়ী করলেন আইপ্যাককে। তাঁর বিস্ফোরক দাবি, “আইপ্যাকই তৃণমূলের ভরাডুবির মূল কারণ।” বোলপুরে তৃণমূলের জেলা দলীয় কার্যালয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে বললেন, “আইপ্যাক এসেছে, দল শেষ হয়েছে। সংগঠনের শক্তিতেই দল চলে। আইপ্যাক দিয়ে দল চলে না।” আক্ষেপের সুরে জানান, নির্বাচনে তাঁকে কোনও দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।

তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী? তিনি কি অন্য কোনও দলে যাবেন, কিংবা তৃণমূলের বিদ্রোহীদের দলে নেতা হিসাবে যোগ দেবেন? রহস্য জিইয়ে রেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রিয় ‘কেষ্ট’র উত্তর, “সম্মান পেলে দল করব, না পেলে নীরব থাকব।” এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের ছাপই আমার গায়ে লেগে আছে। অন্য কোনও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ভাবিনি। প্রতিদিন বোলপুরের দলীয় কার্যালয়ে আসি। এটাকে আমি মন্দির বলে মনে করি। তবে দলের সর্বনাশ করেছে আইপ্যাক। সংগঠনের তথ্য বাইরে পাচার করেছে। বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে তাদের কোনও সংযোগ ছিল না।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নির্বাচনে দল হারার পর কার্যত অন্তরালে চলে গিয়েছিলেন। নির্বাচনী ফল ঘোষণার পর প্রথমবার প্রকাশ্যে মুখ খুলে দলের পরাজয়, সাংগঠনিক পরিস্থিতি, আইপ্যাকের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ও তাঁকে কোনও বিশেষ দায়িত্ব না দেওয়া নিয়ে একের পর বোমা ফাটালেন ‘একদা’ বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রত।

আইপ্যাকের বিরুদ্ধে টাকা তোলার মারাত্মক অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, ক্ষমতার লোভ দেখিয়ে নেতাদের থেকে টাকা তোলা হয়েছে। দলের বিভিন্ন পদ পাইয়ে দেওয়ার নামেও অর্থ সংগ্রহ করেছে আইপ্যাক। অনুব্রত বলেন, “১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের সময় কোনও আইপ্যাক ছিল না। তখন আমরা নিজেদের শক্তিতেই দলকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলাম। ২০০৯ সালে শতাব্দী রায়কে জিতিয়েছি। ২০১১ সালে সরকার গড়েছি। ২০১৪ থেকে ২০১৯ সালেও সফল হয়েছি। তখনও আইপ্যাক ছিল না। তাহলে আইপ্যাকের প্রয়োজন হল কেন?” আক্ষেপে সুরে অনুব্রত আরও বলেন, “আইপ্যাক সংগঠনের বাস্তব পরিস্থিতি না বুঝেই দলকে ভুল পথে পরিচালিত করেছে। বীরভূমের মুরারই বা লাভপুরের রাজনৈতিক বাস্তবতা উত্তরপ্রদেশ বা বিহারের আইপ্যাক কেউ বুঝবে কী ভাবে? তারা সংগঠন সম্পর্কে কিছুই জানে না। শুধু অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যেই এসেছিল।”

অনুব্রতর আরও অভিযোগ নির্বাচনে তাঁকে বিশেষ কোনও দায়িত্ব দেয়নি দল। অনুব্রতের কথায়, “জেলায় তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠকেও বিধানসভা নির্বাচনের ভোট পরিচালনার আমাকে আগের মত কোনও দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। বলা হয়েছি বিধায়করা ডাকলে যাবেন। আমি প্রশ্ন করেছিলাম, দলে আমার ভূমিকা কী? তার কোনও স্পষ্ট উত্তর পাইনি। ফলে এবারের নির্বাচনে আমি সেইভাবে কাজ করিনি।” দলের সাংসদ এবং বিধায়কদের বেসুরো প্রসঙ্গে বলেন, “তাঁরা অন্যায় কিছু করেননি। বিজেপিতে যাননি। নিজেদের মতো একটি ফ্রন্ট তৈরি করেছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.