Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Jalpaiguri

‘পরকীয়া’য় জড়িয়েছিল, স্ত্রীকে কুপিয়ে অস্ত্র হাতে থানায় গেল রক্তাক্ত স্বামী!

রক্তমাখা অবস্থায় অস্ত্র হাতে এক কিমি রাস্তা হেঁটে গিয়েছিল যুবক। তাঁকে দেখে ভয়ে সিঁটিয়ে গিয়েছিল রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা সাধারণ মানুষজন। রক্তাক্ত অবস্থায় ধারালো অস্ত্র হাতে ঢুকেছিল যুবক। ঘটনা দেখে প্রথমে চমকে গিয়েছিল পুলিশ কর্মীরা।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ১৭:৩৭

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ১৭:৩৭

options
link
‘পরকীয়া’য় জড়িয়েছিল, স্ত্রীকে কুপিয়ে অস্ত্র হাতে থানায় গেল রক্তাক্ত স্বামী! zoom
প্রতীকী ছবি।

রক্তমাখা অবস্থায় অস্ত্র হাতে এক কিমি রাস্তা হেঁটে গিয়েছিল যুবক। তাঁকে দেখে ভয়ে সিঁটিয়ে গিয়েছিল রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা সাধারণ মানুষজন। রক্তাক্ত অবস্থায় ধারালো অস্ত্র হাতে ঢুকেছিল যুবক। ঘটনা দেখে প্রথমে চমকে গিয়েছিল পুলিশ কর্মীরা। ওই যুবক পুলিশকে জানায়, স্ত্রীকে খুন করে থানায় আত্মসমর্পণ করতে এসেছেন। সেই কথা জানার পরেই পুলিশ ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে। অকুস্থলে গিয়ে উদ্ধার করা হয় মৃতদেহ। হাড়হিম করা ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ধূপগুড়িতে।

মৃত ওই তরুণীর নাম সোমা রায়। গ্রেপ্তার হওয়া ওই যুবকের নাম শ্রীকান্ত রায়। কী কারণে এই খুন? পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই দম্পতির বাড়ি ধূপগুড়ি রায়পাড়া ২ নম্বর ওয়ার্ডে। বেশ কয়েক বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়েছিল। সম্প্রতি শ্রীকান্ত রায় জানতে পারেন, স্ত্রী সোমা বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছেন। এলাকার বাসিন্দা চিরঞ্জিত নামে এক যুবকের সঙ্গে স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছিলেন। ধরা পড়ার পর এই বিষয়ে এলাকায় সালিশিসভা বসেছিল। সেখানেই নিজের স্ত্রী সোমাকে প্রতিবেশী যুবক চিরঞ্জিতের হাতে তুলে দিয়েছিলেন তিনি!

Advertisement
Husband surrenders after killing wife in Dhupguri
ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্তে পুলিশ। নিজস্ব চিত্র

ওই সালিশিসভার পরেই সোমা চিরঞ্জিতের বাড়িতে থাকতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু শনিবার সকালে ওই বাড়িতেই ঘটে গেল হাড়হিম করা ঘটনা। এদিন সকালে ধারালো অস্ত্র হাতে আচমকাই চিরঞ্জিতের বাড়িতে ঢুকেছিলেন শ্রীকান্ত। সোমার উপর চড়াও হয়ে এলোপাথারি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়! চিৎকার শুনে চিরঞ্জিতের মা ছুটে এসে বাধা দিতে গিয়েছিলেন। তাঁর দিকেও ধারালো অস্ত্র নিয়ে অভিযুক্ত তেড়ে যান বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সোমার।

এরপরই ওই বাড়ি থেকে বেরিয়ে রক্তমাখা অবস্থায় অস্ত্র হাতে রাস্তা দিয়ে হাঁটতে শুরু করেন! এক কিলোমিটার পায়ে হেঁটে তারপর টোটো নিয়ে ধুপগুড়ি থানায় পৌঁছে আত্মসমর্পণ করেন শ্রীকান্ত। পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ওই বাড়ি গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। অকুস্থল থেকে নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে। খুনের কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত। প্রতিহিংসা থেকেই কি এমন কাজ? সেই প্রশ্ন উঠেছে।

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.