Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
TMC Party office

গোঘাটে তৃণমূলের আশ্চর্য পার্টি অফিস! তালা খুলতেই উদ্ধার শতাধিক রেশন ও জব কার্ড

শুক্রবার গোঘাটের নলডুবি এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসে তালা বন্ধ পার্টি অফিস খোলানো হয়। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী বিশ্বজিৎ ঘোষের কাছে থাক চাবি নিয়ে তৃণমূলের পার্টি অফিসটি খোলা হয়। তারপরই সেখানে মেলে প্রচুর রেশন ও জব কার্ড।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২৬, ২০:৩৮

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২৬, ২০:৩৮

options
link
গোঘাটে তৃণমূলের আশ্চর্য পার্টি অফিস! তালা খুলতেই উদ্ধার শতাধিক রেশন ও জব কার্ড zoom
তৃণমূলের পার্টি অফিস থেকে উদ্ধার প্রচুর রেশন ও জব কার্ড। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

তৃণমূলের পার্টি অফিস যেন আশ্চর্য প্রদীপ! তালা খুলতেই মিলল শতাধিক রেশন কার্ড, জব কার্ড, আধার কার্ড। এমনকী জমির দলিল, সরকারি বালতি ও সাদা থান কাপড়ও পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় উত্তেজনা গোঘাটের মান্দারণ গ্রাম পঞ্চায়েতের নলডুবি এলাকায়। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ঘটনার তদন্ত দাবি করেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে স্থানীয় বিডিও অফিসের প্রতিনিধি ও পুলিশ। রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। 

শুক্রবার গোঘাটের নলডুবি এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসে তালা বন্ধ পার্টি অফিস খোলানো হয়। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী বিশ্বজিৎ ঘোষের কাছে থাকা চাবি নিয়ে তৃণমূলের পার্টি অফিসটি খোলা হয়। তারপরই সেখানে মেলে প্রচুর রেশন ও জব কার্ড। আলামারিতে মেলে শয়ে শয়ে কার্ড। কিছু জমির দলিলও পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি। বাড়িতে বাড়িতে দেওয়ার জন্য সরকারি বালতিও পাওয়া গিয়েছে।

Advertisement

এরপরই খবর দেওয়া হয় পুলিশে। স্থানীয় বিডিও অফিসেও খবর যায়। বিডিও অফিসের প্রতিনিধি আসেন। কার্ডগুলি উদ্ধার করা হয়। কিন্তু এই কার্ডগুলি ও অন্যান নথি কেন তৃণমূলের পার্টি অফিসে সেই প্রশ্ন উঠেছে। কার্ডগুলি ব্যবহার করে দুর্নীতি করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি।

স্থানীয় বিজেপি নেত্রী দোলন দাস বলেন, ” নলডুবি গ্রামের ৬৪ নম্বর বুথের তৃণমূলের পার্টি অফিস খুলতেই প্রচুর ডিজিটাল রেশন কার্ড, জব কার্ড মিলেছে। এটা সাধারণ মানুষের হকের জিনিস। সেগুলি তৃণমূলের পার্টি অফিসে কী করছে। যাঁরা বা যে এই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত তাঁদের শাস্তি দরকার। যারা টাকা চুরি করেছে তাঁদের টাকা ফেরত দিতে হবে।”

স্থানীয় পঞ্চায়েতের সদস্যার স্বামী বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, “পার্টি অফিসের চাবি আমার কাছে ছিল ঠিকই, কিন্তু আমি কিছু জানি না। কিছু দিন আগেই আমি চাবি নিয়েছি। ভোট ঘোষণা হয়ে যাওয়ায় বালতিগুলি দেওয়া হয়নি। বাকি জব কার্ড, রেশন কার্ড এখানে কী করে এল আমি জানি না। আগের পঞ্চায়েত সদস্যা বলতে পারবেন।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.