সুমন করাতি, হুগলি: স্বামীকে খুনের পর জমির নলকূপের গর্তে দেহ লোপাট স্ত্রীর! দেড় মাস পর উদ্ধার দেহ। হাড়হিম কাণ্ডের সাক্ষী হুগলির চণ্ডীতলা। ইতিমধ্যেই দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই যুবকের স্ত্রী-সহ চারজনকে এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
জানা গিয়েছে, হুগলির চণ্ডিতলা থানার মশাট এলাকার বাসিন্দা রবীন রুইদাস। বেশ কিছুদিন ধরে স্ত্রীর সঙ্গে শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন তিনি। মাস দেড়েক আগে আচমকা উধাও হয়ে যান যুবক। মৃতের পরিবারের তরফে থানায় নিখোঁজের ডায়েরি হয়। তদন্ত শুরু করে পুলিশ। এরপরই যুবকের স্ত্রীর ভূমিকায় সন্দেহ দানা বাঁধে পুলিশের মনে। তাকে জেরা করতেই উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, স্ত্রী অপর্ণাই খুন করে রবীনকে। এরপর বোনের স্বামীর টোটোয় বাড়ি থেকে বের করা হয় দেহ। প্রমাণ লোপাটে ফেলে দেওয়া হয় এলাকার চাষের জমির নলকূপের গর্তে। ইতিমধ্যেই অপর্ণা-সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলশ। কিন্তু কেন এই নারকীয় কাণ্ড?
পুলিশ সূত্রের খবর, রবীন নাকি বিয়ের পর থেকেই স্ত্রীর উপর অত্যাচার করত। এক পর্যায়ে অপর্ণা বাপের বাড়ি চলে যায়। কিন্তু তাতেও অত্যাচার কমেনি। এরপর শ্বশুরবাড়িতে থাকতে শুরু করেন রবীন। অনুমান, অত্যাচারের জেরে বিরক্ত হয়েই ভয়ংকর সিদ্ধান্ত নেন বধূ। তবে নেপথ্যে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা।
সর্বশেষ খবর
-
অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন তারকাই কি বাংলার পরবর্তী বোলিং কোচ? বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি ছিন্ন হতেই জল্পনা
-
মাতলার চরে সবুজের উৎসব, সুন্দরবন বাঁচাতে রোপণ করা হল হাজার হাজার ম্যানগ্রোভ
-
গ্রেপ্তারির পর কেন কোমরে দড়ি পরিয়ে ঘোরানো হচ্ছে রাস্তায়? রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চাইল হাই কোর্ট
-
‘বৈজ্ঞানিক সত্য’-র দায় নেই, ‘রাজনৈতিক সত্য’ হওয়ার
-
চলন্ত ট্রেন থেকে রেললাইনে পড়েছে ফোন? হঠকারিতা নয়, রয়েছে ফেরত পাওয়ার উপায়ও