Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Health Minister

রাতবিরেতে আচমকা পূর্ব বর্ধমানের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হানা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর! ঘেঁটে দেখলেন ওষুধের স্টক

আচমকা তাঁকে ওয়ার্ডে ঢুকতে দেখে অবাক ডাক্তার-নার্সরা।

সৌরভ মাজি
সৌরভ মাজি

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৬, ২২:৫১

link
সৌরভ মাজি
সৌরভ মাজি

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৬, ২২:৫১

options
link
রাতবিরেতে আচমকা পূর্ব বর্ধমানের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হানা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর! ঘেঁটে দেখলেন ওষুধের স্টক zoom
বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে সারপ্রাইজ ভিজিটে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়
Advertisement

নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর যে সব প্রতিশ্রুতি পূরণে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম বাংলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হাল ফেরানো। প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র হোক বা সরকারি হাসপাতাল, রোগীরা ঠিক মতো পরিষেবা পাচ্ছেন কি না, প্রথম দিন থেকে তা নজরে রেখেছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই প্রায় দিনই সরকারি হাসপাতালের হাল হকিকত খতিয়ে দেখতে পৌঁছে গিয়েছেন হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার রাতে তেমনই পূর্ব বর্ধমানের বড়শুল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হঠাৎ হাজির স্বাস্থ্যমন্ত্রী। আচমকা তাঁকে ওয়ার্ডে ঢুকতে দেখে অবাক ডাক্তার-নার্সরা।

জেলা স্বাস্থ্য দফতর বা পুলিশ কারও কাছে কোনও খবর ছিল না মন্ত্রীর আসার বিষয়ে। রাতে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ঢুকে বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্য কর্মী, রোগী ও তাঁদের পরিজনদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এক নার্সের পিঠ চাপড়ে প্রশংসা করতেও দেখা যায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে। পরে মন্ত্রী বলেন, “এখানে চিকিৎসা পরিষেবা ও নার্সিং ব্যবস্থা ভালো। তবে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দিতে হবে। সাফাইটা ঠিকমতো হচ্ছে না। সেটা ঠিক করতে হবে।”

Advertisement

জরুরি বিভাগ, ইনডোর বিভাগ ঘুরে দেখেন। ফ্রিজার খুলে ওষুধ, ভ্যাকশিন খুঁটিয়ে পরীক্ষা করেন। অন্যত্র থাকা ওষুধের প্যাকেট খুঁটিয়ে দেখেন ডেট এক্সপায়ার হয়েছে কি না বা কোনও ত্রুটি আছে কি না। হাসপাতালের বিভিন্ন রেজিস্টার, নথিও খতিয়ে দেখেন মন্ত্রী।

ল্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি রোগীদের সঙ্গেও কথা বলেন ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।

এদিন রাত ৯টা নাগাদ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আসেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। জরুরি বিভাগ, ইনডোর বিভাগ ঘুরে দেখেন। ফ্রিজার খুলে ওষুধ, ভ্যাকশিন খুঁটিয়ে পরীক্ষা করেন। অন্যত্র থাকা ওষুধের প্যাকেট খুঁটিয়ে দেখেন ডেট এক্সপায়ার হয়েছে কি না বা কোনও ত্রুটি আছে কি না। হাসপাতালের বিভিন্ন রেজিস্টার, নথিও খতিয়ে দেখেন মন্ত্রী। তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’ দেখে মনে হয়েছে এখানকার ব‌্যবস্থা দেখে খুশি। রোগীর আত্মীয়দের সঙ্গে হাত মেলানো বা তাঁদের পিঠে হাত দিয়ে হাসি মুখে কথাও বলেন মন্ত্রী। একসময় এখানে চিকিৎসক কোয়ার্টারে অনেকবার কাটিয়ে গিয়েছেন বলেও মন্ত্রী জানান।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.