Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
TMC

জলা বুজিয়ে কার্যালয়, নিরাপত্তারক্ষী থেকে তৃণমূল নেতা হয়ে কোটি টাকার সম্পত্তি! পলাতক শিবদাস

একসময় ছিলেন কারখানার নিরাপত্তারক্ষী। তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরেই বাড়তে থাকে প্রভাব। হয়ে উঠেছিলেন এলাকার 'দাদা'। সরকারি জমি দখল করার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ১৫:১৯

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ১৫:১৯

options
link
জলা বুজিয়ে কার্যালয়, নিরাপত্তারক্ষী থেকে তৃণমূল নেতা হয়ে কোটি টাকার সম্পত্তি! পলাতক শিবদাস zoom
তৃণমূল নেতা হয়ে কোটি টাকার সম্পত্তি!
Advertisement

একসময় ছিলেন কারখানার নিরাপত্তারক্ষী। তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরেই বাড়তে থাকে প্রভাব। হয়ে উঠেছিলেন এলাকার ‘দাদা’। সরকারি জমি দখল করার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। এলাকার একাধিক কারখানা থেকে মোটা টাকা তোলা আদায় হত বলে অভিযোগ। ভুঁড়িভুঁড়ি অভিযোগ রয়েছে দুর্গাপুরের এই তৃণমূল শ্রমিক নেতার। রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই পলাতক তৃণমূল নেতা শিবদাস মণ্ডল।

দুর্গাপুরের কাঁকসা ব্লকের গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের জলাজমি ভরাট করে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় তৈরির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, সরকারি খাসজমিও দখলের অভিযোগ রয়েছে শিবদাসের বিরুদ্ধে। তৃণমূল আমলে রকেটের বেগে উত্থান। সাধারণ নিরাপত্তারক্ষী থেকে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি বানানোর অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

Advertisement

ছোট থেকেই গোপালপুরে মামারবাড়িতে থেকে বেড়ে ওঠা। কর্মজীবনের শুরুতে একটি কারখানায় নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কাজ। সামান্য টাকা মাইনে। তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরই রকেটের গতিতে উত্থান। ক্রমে হয়ে ওঠেন এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক নেতা।

কে এই শিবদাস মণ্ডল? গোপালপুর পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা এই তৃণমূল নেতা। বাড়ি দুর্গাপুরের বীরভানপুর এলাকায়। তবে ছোট থেকেই গোপালপুরে মামারবাড়িতে থেকে বেড়ে ওঠা। কর্মজীবনের শুরুতে একটি কারখানায় নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কাজ। সামান্য টাকা মাইনে। তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরই রকেটের গতিতে উত্থান। ক্রমে হয়ে ওঠেন এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক নেতা। সেই থেকেই আরও প্রভাব বাড়তে থাকে শিবদাসের। অভিযোগ, এলাকার ‘দাদা’ হয়েই বিভিন্ন কারখানায় প্রভাব খাটানো শুরু করেন। মোটা টাকার তোলা নেওয়া শুরু হয়!

স্থানীয়দের কথায়, একসময় শিবদাসের আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না। অসুস্থ হওয়ায় চিকিৎসা করানোর অর্থও ছিল না! সেসময় এলাকার লোকজনই টাকা তুলে চিকিৎসা করিয়ে তাঁকে সুস্থ করেছিল বলে দাবি। অভিযোগ, সেই শিবদাসই ক্ষমতায় আসার পরে স্থানীয়দের ভয় দেখানো শুরু করেন। জমা জমি দখল করে বুজিয়ে তৈরি করা হয় তৃণমূলের কার্যালয়! শুধু তাই নয়, আদিবাসীদের জমি দখল করার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। সরকারি জমিও দখলের অভিযোগ আছে তাঁর বিরুদ্ধে।

ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তরে একাধিক লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছিল। কিন্তু তৃণমূল সরকারের আমলে তাঁর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগেরই তদন্ত হয়নি। প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় থাকায় সব ধামাচাপা পড়ে যেত সেসময়! কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি এভাবেই শিবদাস করেছেন বলে অভিযোগ। ভয়ে স্থানীয়রা মুখ খুলতে পারতেন না। রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। তারপর থেকেই পলাতক এই শ্রমিক নেতা। স্থানীয়রাও তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন। এলাকার বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “তৃণমূল আমলে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি করেছে তৃণমূলের নেতারা। তার মধ্যে অন্যতম শিবদাস মণ্ডল। আদিবাসীদের জমি, সরকারি জমি দখল আর জলা জমি ভরাট যারা করেছে, কেউ রেহাই পাবে না।।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.