Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Tea Garden

উত্তরবঙ্গে শ্রমিক আন্দোলনে বন্ধ কাজ, ‘দুটি পাতা একটি কুঁড়ি’র বাগানে লোকসানের আশঙ্কা

এটাই দার্জিলিং পাহাড়ে চা পাতা তোলার মরশুম, তা না পেলে বিশাল ক্ষতি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২৫, ১৭:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২৫, ১৭:৩৪

options
link
উত্তরবঙ্গে শ্রমিক আন্দোলনে বন্ধ কাজ, ‘দুটি পাতা একটি কুঁড়ি’র বাগানে লোকসানের আশঙ্কা zoom
Advertisement

বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য ও ধনরাজ ঘিসিং, শিলিগুড়ি ও  দার্জিলিং: চা বাগানে ফের মাথাচাড়া দিয়েছে শ্রমিক আন্দোলন। যার জেরে আবারও অনির্দিষ্টকালের জন্য দার্জিলিং পাহাড়ে বন্ধ হয়ে গেল চা বাগান। বৃহস্পতিবার নোটিস দিয়ে চারটি চা বাগান বন্ধ করে কর্তৃপক্ষ চলে গিয়েছে। বন্ধ চা বাগানের তালিকায় রয়েছে মিরিকের সিংবুলি, মঞ্জু, তিংলিং এবং মুর্মা। এদিনের ঘটনা নিয়ে পাহাড়ে ৮৭টি চা বাগানের মধ্যে বন্ধ বাগানের সংখ্যা দাঁড়াল ১৩টি।

জানা গিয়েছে, আগাম পুজো বোনাস ঘোষণার দাবিতে ওই চারটি চা বাগানের শ্রমিকরা গত কয়েকদিন থেকে পাতা তোলার কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। বাগান কর্তৃপক্ষের দাবি, মরশুমের প্রথম সবুজ পাতা না পেলে লোকসান হবে। তাই বাগান খোলা রেখে লাভ নেই। ফলে মালিকরা চা বাগান বন্ধ করতে বাধ্য করতে হলেন তাঁরা।

Advertisement

দার্জিলিং পাহাড়ে এবার চায়ের মরশুম শুরু হয়েছে ২৭ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু বৃষ্টি না হওয়ায় ৮৭টি চা বাগানের বেশিরভাগ মার্চ মাসের গোড়াতেও চা পাতা তোলার কাজ শুরু করতে পারেনি। পাহাড়ের ৮৭টি চা বাগানের মধ্যে অন্তত ৪০টির মালিক লোকসানের মুখে দাঁড়িয়ে বাগান বিক্রির জন্য মরিয়া চেষ্টা শুরু  করেছে। ওই পরিস্থিতিতে শ্রমিক আন্দোলনের জেরে মিরিকের চারটি চা বাগানে চূড়ান্ত অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়।

সিংবুলি চা বাগানের ম্যানেজার জানান, মরশুম শুরু হওয়ার পর থেকে আগামী দু’মাস চা বাগানগুলিতে ‘ফার্স্ট ফ্লাশ’-এর পাতা তোলার কাজ চলবে। ওই পাতা থেকে তৈরি হয় অন্তত দুই মিলিয়ন কেজি চা। জানা গিয়েছে, এই পরিমাণ মোট উৎপাদনের প্রায় ২০ শতাংশ। দু’মাস যে চা তৈরি হয় সেটাই মরশুমের সেরা দার্জিলিং চা। এই চা জার্মানি, ফ্রান্স, ইংল্যান্ডে রপ্তানি হয়। কিন্তু শ্রমিক আন্দোলনের জেরে চা পাতা তোলার কাজ বন্ধ হয়েছে। ওই পরিস্থিতিতে চা বাগান খোলা রাখার মানে নেই। যদিও অজয় এডওয়ার্ডের শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি ডিকে রাইয়ের অভিযোগ, “এটা মালিকদের নাটক। ওরা আন্দোলন ভেস্তে দিতে এটা করেছে।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.