Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
Nirmal Ghosh

লকআপে ডিম টোস্ট, আদা চায়ের ‘আবদার’ নির্মলের! আদালতের পথে ‘ডিম থেরাপি’, চলল চড়-লাথি!

ডিজে বাজিয়ে খড়দহ থানার সামনে নাচতেও দেখা যায় অনেককেই।

অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২৬, ১৫:৩৮

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২৬, ১৫:৩৮

options
link
লকআপে ডিম টোস্ট, আদা চায়ের ‘আবদার’ নির্মলের! আদালতের পথে  ‘ডিম থেরাপি’, চলল চড়-লাথি! zoom
১৪ আগস্ট, খড়দহ থানার সামনে নির্মল ঘোষের উপর ডিম হামলা। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

নির্মল ঘোষ গ্রেপ্তার হতেই খড়দহে উৎসবের মেজাজ। এতদিনে অভয়া কাণ্ডে প্রকৃত অপরাধী গ্রেপ্তার হয়েছে বলেই দাবি স্থানীয়দের। তাই সময় যত গড়াতে থাকে ততই থানার সামনে ভিড় বাড়তে থাকে। ডিজে বাজিয়ে অনেককে নাচতেও দেখা যায়। অঘটন যে ঘটতে পারে, তা আগেভাগেই টের পেয়েছিলেন পুলিশকর্মীরা। সেইমতো থানা থেকে বের করার সময় নির্মলের (Nirmal Ghosh) জন্য বাড়তি নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়। মাথায় হেলমেটও পরানো হয়। তবে তাতেও কাজ হল না। প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে ডিম হামলার শিকার হতে হয়। খেতে হল চড়, লাথিও। এদিকে, তার আগেই থানার লকআপে বসে খাবার নিয়ে নানা আবদার করেন নির্মল।

পুলিশ সূত্রে খবর, থানার লকআপে বসে ক্যান্টিনের এক কর্মীকে দেখতে পান নির্মল ঘোষ। তাঁর থেকে আদা দেওয়া দুধ চা চান প্রাক্তন বিধায়ক। সেই মতো নাকি চা দেওয়া হয়। সকালে তাঁকে দেখতে লকআপে যান পুত্রবধূ দীপান্বিতা ঘোষ। শ্বশুরের সঙ্গে কথা বলে বেরিয়ে আসার সময় খাবার চান নির্মল। তাঁকে সেই সময় ডিম টোস্ট, বাটার টোস্ট আর ঘুগনি দেওয়া হয়। তারপরই আদালতে তোলা হয় তাঁকে।

Advertisement

বলে রাখা অভিযোগ, গত ৯ আগস্ট অভয়ার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে পানিহাটিতে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ওই মঞ্চে দাঁড়িয়ে অভয়ার মৃত্যুর ঘটনায় পুনর্তদন্তের নির্দেশ দেন। ওই রাতে শ্মশানঘাটে কী হয়েছিল, বারাকপুরের সিপিকে সে তদন্ত করার নির্দেশও দেন তিনি। নির্মল ঘোষ, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় এবং সোমনাথ দে-র বিরুদ্ধে তদন্ত করার কথা বলেন। সেই মতো এফআইআর দায়ের করেন অভয়ার বাবা। তার অভিযোগের দু’দিন পরই ওড়িশা থেকে গ্রেপ্তার হন নির্মল ঘোষ। জানা গিয়েছে, ওড়িশার বালেশ্বরের সিমুলিয়া থানার একটি হোটেলে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। পুলিশের নজর এড়াকে পুরনো মোবাইল নম্বর সুইচড অফ করে দেন। রাজ্য পুলিশ তাঁর মোবাইল টাওয়ার লোকেশনের সূত্র ধরে সিমুলিয়া পুলিশের সাহায্যে ওই হোটেলে যান। সেখানেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওড়িশার আদালতে তোলা হয় তাঁকে। সেখান থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে খড়দহে নিয়ে আসা হয়। নির্মল ঘোষের গাড়িও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.