সুমন করাতি, হুগলি: মদ্যপ অবস্থায় মহিলার ছবি তুলে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠল কোন্নগর পুরসভার সিপিএমের প্রাক্তন চেয়ারম্যানের ছেলের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ। ‘মহিলাদের নিরাপত্তার দাবিতে রাত জাগে সেই সিপিএম এসব করে’, কটাক্ষ তৃণমূলের। ঘটনার পর নিন্দার ঝড় এলাকায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত সিপিএম নেতা বাসুদেব ইন্দ্রর ছোট ছেলে রানা ইন্দ্র। কোন্নগর সুপার মার্কেটের কাছে তাঁর একটি ঝালমুড়ির দোকান রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে ইন্দ্র তাঁর দোকানের কাছেই দাঁড়িয়ে থাকা এক তরুণী ছবি তোলেন বলে অভিযোগ। তা বুঝতে পেরে মহিলার সঙ্গে থাকা তাঁর এক দিদি ওই যুবতীকে জানায়। ঘটনার প্রতিবাদ করতেই রানা যুবতীর শ্লীলতাহানির করে বলেও অভিযোগ। এরপরই খবর দেওয়া হয় কোন্নগর ফাঁড়িতে। পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করে।
অভিযোগকারী যুবতী বলেন, “আমরা মাঝেমধ্যেই এখানে আসি। ওর দোকান থেকে ঝালমুড়িও খাই। আজ রানাদা মোবাইলে আমার ছবি তুলতে থাকে। কেন ছবি তোলা হয়েছে জিজ্ঞাসা করলে বলে মহিলাদের অশ্লীল ছবি তুলতে ভালো লাগে। বাধা দিলে আমার হাত ধরে টানাটানি করে। আমি তখন চিৎকার করি। পুলিশে খবর দিলে ওকে ধরে নিয়ে যায়।” এই প্রথম নয়, আগেও এক মহিলার অশ্লীল ছবি তোলার অভিযোগ রয়েছে সিপিএম নেতার এই ছেলের বিরুদ্ধে।
মার্কেটের এক দোকানদার লক্ষীকান্ত অধিকারী বলেন, “সুপার মার্কেট এলাকাতেই রানার ঝালমুড়ির দোকান। আজকে মার্কেটে দুই মহিলা এসেছিল। রানা তাঁদের অশ্লীল ছবি তুলেছে। গায়ে হাত দিয়েছে, তাই পুলিশ ধরে নিয়ে গিয়েছে। রানা আগেও মদ্যপ অবস্থায় এসব কাজ করেছে।”
কোন্নগর পুরসভার বর্তমান পুরপ্রধান তৃণমূলের স্বপন দাস বলেন, “মহিলাদের অসম্মান করাই সিপিএম লোকেদের কাজ। এই সিপিএম রাজ্যে মহিলাদের নিরাপত্তা নেই বলে চিৎকার করে। আবার এই সিপিএমের লোকরাই এসমস্ত নোংরা কাজ করে। এই রানা ইন্দ্রের বিরুদ্ধে আগেও মদ্যপ অবস্থায় এসব নোংরামি করার অভিযোগে আছে। এসব ছেলেদের কঠিন শাস্তি হওয়া দরকার।” যদিও সিপিএম এই বিষয়ে মুখ খুলতে চায়নি।
সর্বশেষ খবর
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে ৭টি গাড়িতে মাংস পাচার! পুলিশি অভিযানে খড়্গপুরে গ্রেপ্তার ১৮
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা