Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Kalyani

বাংলাদেশি পরিচয় গোপন করে ভারতের ভোটার তালিকায় এক পরিবারের ৫ সদস্য! অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে

ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কল্যাণীর মহকুমা শাসকের দপ্তর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৯, ২০২৫, ১৬:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৯, ২০২৫, ১৬:২৯

options
link
বাংলাদেশি পরিচয় গোপন করে ভারতের ভোটার তালিকায় এক পরিবারের ৫ সদস্য! অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে zoom
নিজস্ব ছবি

সুবীর দাস, কল্যাণী: বাংলাদেশি পরিচয় গোপন করে ভোটার তালিকায় নাম তোলার অভিযোগ। কল্যাণী বিধানসভার সগুনা গ্রাম পঞ্চায়েতের এক পরিবারের পাঁচ সদস্যের বিরুদ্ধে পরিচয় গোপন করে ভোটার তালিকায় নাম তোলার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কল্যাণীর মহকুমা শাসকের দপ্তর।

অভিযোগ, সগুনা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা মধু সরকার ও তার দুই মেয়ে, লাকি সরকার এবং লতা সরকার বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করলেও ভারতের ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম রয়েছে। লাকি সরকারের জন্ম বাংলাদেশের মুন্সীগঞ্জ এলাকায়। তবু তিনি ‘লাকি রায়’ নামে ভারতের ভোটার তালিকায় নাম তুলেছেন। সেখানে তার বাবার নাম লেখা হয়েছে ‘মধুসূদন সরকার’। যদিও মধু সরকার এবং মধুসূদন সরকার দু’জনে আলাদা ব্যক্তি, বাবার নামের এই অসঙ্গতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। লাকি সরকারের জন্মস্থানও বাংলাদেশের মুন্সীগঞ্জ। অভিযোগে বলা হয়েছে, তার পড়াশোনার ঠিকানা ভারতে দেখানো হয়েছে। লাকি সরকারের ছেলে আকাশ রায়ের জন্ম বাংলাদেশে। তা সত্ত্বেও তিনি দমদম মিউনিসিপ্যালিটি থেকে ভারতীয় হিসেবে জন্মের শংসাপত্র পেয়েছেন বলে অভিযোগ। ছোট মেয়ে লতা সরকারের বিয়ে হয়েছে ভারতে। কিন্তু সেও বাংলাদেশের জন্মগ্রহণ করেছে।

Advertisement

এই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই প্রশাসনে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কল্যাণীর মহকুমা শাসক জানিয়েছেন, কারও নাম অযোগ্য প্রমাণিত হলে এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটার তালিকা থেকে তা বাদ যাবে। কমিশনের গাইডলাইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। কল্যাণী বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায় এই ঘটনার নিন্দা করেন। তিনি বলেন, “এরাই আবার এরাজ্যে এসআইআরের বিরোধিতা করে। এসআইআরের কারণেই এরকম ঘটনাগুলো প্রকাশ্যে আসছে। আর এসব কর্মকান্ডের পেছনে রয়েছে এরাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।” তিনি আরও বলেন, “এর জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী থেকে শুরু করে সকল নেতা এসআইআরের বিরোধিতায় উঠেপড়ে লেগেছে।” তবে এরাজ্যের প্রশাসন তার কতটা ব্যবস্থা নেবে, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন তিনি।

অন্যদিকে শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গ পরিবহন দপ্তরের মন্ত্রী স্নেহাশীষ চক্রবর্তী নদিয়ায় এসে এসআইআর প্রসঙ্গে ভোটার তালিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে বলেন, ভোটার তালিকার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের, সেখানে এত ভুল, মৃত ভোটার নাম কেন কাটা হয়নি? এত ভুয়া ভোটারের নাম ঢুকলোই বা কী করে?” তাঁর দাবি, “তাঁরা তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেনি, এটা পরিষ্কার। আর তার দায়ভার এসে পড়ছে এখন সাধারণ মানুষের উপরে। সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.