Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
SIR

BLO অ্যাপে বাবা-মায়ের নামে গরমিল! SIR ‘আতঙ্কে’ ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু ৩৮ বছরের যুবকের

স্বামীর মৃত্যুর জন্য এসআইআর প্রক্রিয়াকেই দায়ী করেছেন ফিরোজের স্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ২১:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ২১:৫৭

options
link
BLO অ্যাপে বাবা-মায়ের নামে গরমিল! SIR ‘আতঙ্কে’ ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু ৩৮ বছরের যুবকের zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এসআইআর শুনানি নিয়ে মানুষের হয়রানির শেষ নেই। এর মধ্যেই এসআইআর আতঙ্কে রাজ্যে আরও এক মৃত্যুর অভিযোগ! ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু ৩৮ বছরের যুবকের। মৃত ওই যুবকের নাম ফিরোজ মোল্লা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদের ভেবিয়া এলাকায়। পরিবারের দাবি, বিএলও অ্যাপে অনলাইন রেকর্ডের সঙ্গে বাবা মায়ের নামের মিল পাওয়া যায়নি। এরপর থেকেই দুশ্চিন্তায় ছিলেন ফিরোজ। ভেঙে পড়েছিলেন। আর সেই কারণেই এই মৃত্যু বলে দাবি। ইতিমধ্যে মৃত যুবকের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।

জানা গিয়েছে, অন্যান্যদের মতোই এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করেছিলেন ফিরোজ মোল্লা। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর বাবা-মায়ের নাম থাকায় সেই সংক্রান্ত নথি এবং প্রয়োজনীয় তথ্যও জমা দিয়েছিলেন। এরপরেও শুনানির জন্য আগামী ৩ জানুয়ারি ফিরোজকে তলব করা হয় শুনানির জন্য। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, বাবা-মায়ের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় রয়েছে। কিন্তু বিএলও অ্যাপে থাকা অনলাইন রেকর্ডের সঙ্গে সেই নাম মেলেনি। এরপর থেকেই আতঙ্কে ছিলেন ফিরোজ, এমনটাই দাবি পরিবারের।

Advertisement

ফিরোজের স্ত্রী এবং মা জানিয়েছেন, বাড়িতেও বারবার ফিরোজ বলেছিলেন তাঁর আতঙ্কের কথা। নাম না ওঠা নিয়ে চিন্তায় ছিলেন। এমনকী শুক্রবার সকালেও ঘুম ভেঙেও সেই এসআইআরের কথা বলেছিলেন। এরপর ফের শুয়ে পড়েন। ডাকতে গিয়ে দেখা যায় আর সাড়া নেই। ফিরোজের স্ত্রী সেলিনা মোল্লার অভিযোগ, খুবই দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন তাঁর স্বামী। সকালে কথাও বলেছিলেন স্বামীর সঙ্গে, তারপর ডাকতে গিয়ে দেখেন নড়াচড়া করছে না। তড়িঘড়ি চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান তাঁরা। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। স্বামীর মৃত্যুর জন্য এসআইআর প্রক্রিয়াকেই দায়ী করেছেন ফিরোজের স্ত্রী।

ফিরোজের মায়েরও একই অভিযোগ। তিনি ছেলেকে অনেক বুঝিয়েছিলেন, তবুও ছেলের মন থেকে ভয়টা যাচ্ছিল না। পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ বলে জানা গিয়েছে। বাড়িতে ছোট সন্তান আছে। তৃণমূলের তরফে পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.