Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Shantipur

পণের জন্য স্ত্রীকে ক্রমাগত চাপ, একমাসের শিশুকে আছাড় মারল বাবা!

পণের দাবিতে গৃহবধূর উপর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের অত্যাচার চলত বলে অভিযোগ। খাট, সোনার গয়না দাবি করা হত। দাবিপূরণ না হওয়ায় একমাসের শিশুকে আছাড় মারল বাবা! ন্যক্কারজনক, হাড়হিম করা ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুরে।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২৬, ১৮:৩৭

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২৬, ১৮:৩৭

options
link
পণের জন্য স্ত্রীকে ক্রমাগত চাপ, একমাসের শিশুকে আছাড় মারল বাবা! zoom
ছবি: প্রতীকী

পণের দাবিতে গৃহবধূর উপর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের অত্যাচার চলত বলে অভিযোগ। খাট, সোনার গয়না দাবি করা হত। দাবিপূরণ না হওয়ায় একমাসের শিশুকে আছাড় মারল বাবা! ন্যক্কারজনক, হাড়হিম করা ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুরে। ঘটনা জানাজানি হতে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

বছরখানেক আগে সাইরুন খাতুনের সঙ্গে জাবির শেখের প্রেম করে বিয়ে হয়। অভিযোগ, বিয়ের পর প্রথম একবছর সব স্বাভাবিক থাকলেও, গোলমালের সূত্রপাত হয় সাইরুন অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর থেকে। গৃহবধূর অভিযোগ, তাঁর শাশুড়ি সফুরা খাতুন তুচ্ছ কারণে অশান্তি করতেন। বিভিন্ন বিষয়ে খুঁত ধরা ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। এর মধ্যেই ক্রমাগত বাপেরবাড়ি থেকে খাট, সোফাসেট, সোনার গয়না এমনকী মোটরবাইক নিয়ে আসার জন্য চাপ দেওয়া হতে থাকে।

Advertisement

অভিযোগ, সম্প্রতি স্বামী জাবির শেখ ও শাশুড়ি মিলে তাঁকে বেধড়ক মারধর করেন। শুরু তাই নয়, একমাসের কোলের শিশুকে আছাড় মারা হয়! শিশুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বর্তমানে শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। শিশুটির মাথায় গুরুতর চোট লেগেছে বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, সাইরুন ও জাবিরের এটি দ্বিতীয় সন্তান। এর আগে তাঁদের প্রথম সন্তান জন্মের মাত্র তিনদিন পরেই মারা গিয়েছিল। এবারের ঘটনায় শান্তিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হবে, তরুণীর বাপেরবাড়ির তরফে সেই কথাই জানানো হয়েছে। যদিও এই ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.