Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১১ জুন ২০২৬
Burdwan

আফ্রিকান ‘উল্টোগাছ’ বর্ধমানে! অযত্নে বেড়ে ওঠা পেট মোটা গাছ ঘিরে শোরগোল

আজ সোমবার সরেজমিনে গাছটি দেখতে যাবেন বনদপ্তরের বিশেষজ্ঞরা। নিশ্চিত হয়ে গাছটি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে চান বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement
অর্ক দে
অর্ক দে

শেষ আপডেট: মার্চ ২, ২০২৬, ১২:৩০

link
অর্ক দে
অর্ক দে

শেষ আপডেট: মার্চ ২, ২০২৬, ১২:৩০

options
link
আফ্রিকান ‘উল্টোগাছ’ বর্ধমানে! অযত্নে বেড়ে ওঠা পেট মোটা গাছ ঘিরে শোরগোল zoom
এই গাছ ঘিরেই শোরগোল বর্ধমানে

বিস্ময় গাছ! ঠিক যেন ‘উল্টো গাছ’। আর এই গাছ ঘিরেই শোরগোল বর্ধমানে। বিশেষজ্ঞরাও উৎসুক হয়ে পড়েছেন এই গাছের পরিচিতি নিশ্চিত হতে। তবে বর্ধমানে জেলা শাসকের দফতরের সামনে অযত্নে বেড়ে ওঠা পেট মোটা গাছ নিয়ে উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ ও বন দফতরের আধিকারিকদের কৌতূহলের শেষ নেই। প্রাথমিকভাবে ছবি দেখে তাঁরা মনে করছেন এটি সেই ‘আফ্রিকান বাওবাব’ গাছ। তবে একদম নিশ্চিত হতে আজ, সোমবার সরেজমিনে দেখতে যাবেন বনদপ্তরের বিশেষজ্ঞরা। নিশ্চিত হয়ে গাছটি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে চান বিশেষজ্ঞরা।

বর্ধমানে জেলা শাসকের দফতরের সামনেই একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের এটিএম রয়েছে। তার গায়েই বেড়ে উঠেছে গাছটি। গাছটি কেউ লাগিয়েছিলেন না কি আপনা থেকেই হয়েছে কি না সেই ব্যাপারে কেউ নিশ্চিত করে কিছু বলতে চাইছেন না। গাছটির বর্তমানে তিনতলা ভবন ছাড়িয়ে গিয়েছে। গুঁড়িও বেশ মোটা। ওই গাছের বয়সও সঠিকভাবে কেউ জানেন না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বৃক্ষ জাতীয় সাধারণ গাছের তুলনায় এই গাছের আকৃতি অনেকটাই আলাদা। গাছটি দেখে একটি উল্টো আকৃতির বৃক্ষ মনে হচ্ছে। যার শিকড়ের অংশ দুভাগ হয়ে উপরের দিকে উঠে গিয়েছে বলে মনে হচ্ছে। দেখে মনে হচ্ছে মাটির নিচে ঢুকে গিয়েছে গাছের কান্ডের অংশ। ভারতীয় উপ মহাদেশের সচরাচর এই আকৃতির গাছ দেখতে পাওয়া যায় না। তবে, এই গাছটির সঙ্গে আফ্রিকান বাউবাব গাছের অনেকটাই মিল রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বৃক্ষ জাতীয় সাধারণ গাছের তুলনায় এই গাছের আকৃতি অনেকটাই আলাদা। গাছটি দেখে একটি উল্টো আকৃতির বৃক্ষ মনে হচ্ছে। যার শিকড়ের অংশ দুভাগ হয়ে উপরের দিকে উঠে গিয়েছে বলে মনে হচ্ছে। দেখে মনে হচ্ছে মাটির নিচে ঢুকে গিয়েছে গাছের কান্ডের অংশ। ভারতীয় উপ মহাদেশের সচরাচর এই আকৃতির গাছ দেখতে পাওয়া যায় না। তবে, এই গাছটির সঙ্গে আফ্রিকান বাউবাব গাছের অনেকটাই মিল রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

গাছটি নিয়ে কৌতূহল তৈরি হওয়ায় বর্ধমান বিশ্ব বিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক জয়প্রকাশ কেশরিরকে ছবি পাঠানো হয়েছিল। রবিবার তিনি বলেন, “আফ্রিকান বাউবাব গাছ দেখতে অনেকটা উল্টো গাছের আকৃতির। দেখে মনে হবে, গাছের উপর অংশ মাটির ফুঁড়ে নিচে ঢুকে গিয়েছে। আর শিকড়ের অংশ উপরে আকাশের দিকে উঠে গিয়েছে। বর্ধমানে জেলাশাসক দফতরের সামনে থাকা গাছটি খালি চোখে দেখে উল্টো আকৃতির গাছের মতোই মনে হচ্ছে। শীতকালে গাছের সমস্ত পাতা ঝরে গিয়েছে। ফলে, শুধু ছবি দেখে এখনই নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না এই গাছটি আফ্রিকান বাউবাব কিনা। গাছটি আরও পরীক্ষা করে দেখতে হবে।” তিনি জানান, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে কিছু আফ্রিকান বাউবাব গাছ রোপণ করা হয়েছে। তবে, জেলাশাসক দপ্তরের সামনে থাকা গাছটি নিজে থেকেই হয়েছে। বর্ধমান বন বিভাগের আধিকারিক অনির্বাণ মিত্র বলেন, “বন দপ্তরের কাছে এই এলাকায় প্রাকৃতিকভাবে আফ্রিকান বাউবাব গাছ রয়েছে এমন কোনও তথ্য নেই। জেলাশাসক দফতরের সামনে গাছটি বন দপ্তরের তরফে পরীক্ষা করে দেখা হবে। তারপরই নিশ্চিতভাবে গাছটির প্রজাতির সম্পর্কে জানা যাবে।”

আমাদের রাজ্যে শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনে এবং কিছু অন্যান্য স্থানে সংরক্ষিত রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মনে করা হয় মুঘল যুগে বা আফ্রিকান ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে এই গাছ ভারতে এসেছিল। এই গাছ খুবই দীর্ঘজীবী। ১০০০ বছরের বেশি বেঁচে থাকে। এদের মোটা কাণ্ড জল ধরে রাখতে সাহায্য করে। যা শুষ্ক পরিস্থিতিতে টিকে থাকতে সাহায্য করে এই গাছকে। শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনে ঘূর্ণিঝড় আমফানের পর একটি বিশাল বাওবাব গাছকে ক্রেনের সাহায্যে পুনরুত্থান করা হয়েছিল। সেটিকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। ভারতে পশ্চিমঘাট পর্বতমালার পাদদেশে কিছু এলাকায় এই গাছ পাওয়া যায়। মধ্যপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্রের একাংশে প্রায় ১ হাজার গাছ আছে বলে বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। সেখানে ভিল সম্প্রদায়ের মানুষজন এই গাছ সংরক্ষিত করে রেখেছেন। এবার বর্ধমান শহরে সবার নজরের সামনে অলক্ষ্যে বেড়ে উঠেছে বাওবাব। নিশ্চিত করতে তৎপরতা বিশেষজ্ঞদের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.