Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Mainul Haque

বাবার অনুগামীদের আবদারে সক্রিয় রাজনীতিতে মইনুল কন্যা রেহানা, স্বাগত জানাল তৃণমূল নেতৃত্ব

২ নভেম্বর দীর্ঘ রোগ-ভোগের পর প্রয়াত হন ফরাক্কর প্রাক্তন বিধায়ক মইনুল হক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১২, ২০২৫, ০৯:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১২, ২০২৫, ০৯:০৯

options
link
বাবার অনুগামীদের আবদারে সক্রিয় রাজনীতিতে মইনুল কন্যা রেহানা, স্বাগত জানাল তৃণমূল নেতৃত্ব zoom
Advertisement

শাহাজাদ হোসেন, ফরাক্কা: স্ত্রী-পুত্র নয়, এবার সক্রিয় রাজনীতিতে আসতে চলেছেন ফরাক্কার প্রয়াত প্রাক্তন বিধায়ক মইনুল হকের মেজো কন্যা রেহেনা ইয়াসমিন। মঙ্গলবার দুপুরে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগদানের কথা জানালেন রেহেনা ইয়াসমিন। তাঁকে স্বাগত জানাল তৃণমূল নেতৃত্ব।

২ নভেম্বর দীর্ঘ রোগ-ভোগের পর প্রয়াত হন ফরাক্কর প্রাক্তন বিধায়ক তথা রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সহসভাপতি মইনুল হক। ১৯৯৬ থেকে পরপর পাঁচবার কংগ্রেসের টিকিটে ফরাক্কা বিধানসভা থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। মইনুল হক এআইসিসির সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। জম্মু ও কাশ্মীর এবং ঝাড়খণ্ড রাজ্যের কংগ্রেস দলের পর্যবেক্ষকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ সামলিয়েছিলেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ফরাক্কা বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী মনিরুল ইসলামের কাছে শোচনীয় ভাবে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি। ২০২২ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের হাত ধরে দীর্ঘ ৪০ বছরের কংগ্রেস রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে তৃণমূল কংগ্রেসে শামিল হয়েছিলেন।

Advertisement

আমৃত্যু তিনি রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সহসভাপতি ছিলেন। মইনুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কখনও তাঁর তিন কন্যা ও এক সন্তানকে সক্রিয় ভাবে রাজনীতিতে দেখা যায়নি। দিন কয়েক আগে ফরাক্কা ব্যারেজ রাজীব ভবনে মইনুল হকের স্মরণ সভায় বছর ৩৫ শের রেহেনা ইয়াসমিনকে পারিবারিক অনুষ্ঠান বাদে প্রথমবার দেখা যায় কোন অনুষ্ঠানে। সেখানে বাবা মইনুলের স্মৃতি চারনায় রেহেনার বক্তব্য সকলের নজর কাড়ে। সোশাল মিডিয়ায় আলোড়ন পরে যায় রেহেনার সমর্থনে। মইনুল অনুগামীরা সক্রিয় রাজনীতিতে নামার অনুরোধ জানাতে থাকেন রেহেনাকে। অবশেষে সকলের আবেগকে সম্মান জানিয়ে রেহেনা ইয়াসমিন সক্রিয় রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

ফরাক্কা দিল্লি পাবলিক স্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর কলকাতা থেকে এমবিএ সম্পূর্ণ করে রেহেনা। এদিন তিনি জানান, “বাবার ৪০ বছর রাজনৈতিক জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটেছে ২ নভেম্বর। বাবার প্রয়াণের পর তাঁকে ঘিরে ফরাক্কাবাসীর আবেগ দেখে আমি গর্বিত। তাঁদের সম্মান জানাতে সক্রিয় রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি। মানুষের পাশে থেকে বাবার দেখানো পথে চলাই আমার আগামীদিনের একমাত্র লক্ষ্য।” রেহেনার এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সাংসদ খলিলুর রহমান।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.