Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
Baruipur Incident

বারুইপুর ‘গণধর্ষণ ও খুনে’ এনকাউন্টার! পুলিশের গুলিতে মৃত্যু অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের

মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনার পুনর্নিমাণের জন্য প্রভাসকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বারুইপুরের সূর্যপুরে। সেই সময় পালানোর চেষ্টা করায় গুলি চালায় পুলিশ।

দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২৬, ১৪:০৩

link
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২৬, ১৪:০৩

options
link
বারুইপুর ‘গণধর্ষণ ও খুনে’ এনকাউন্টার! পুলিশের গুলিতে মৃত্যু অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের zoom
বারুইপুর 'গণধর্ষণ ও খুনে' এনকাউন্টার! পুলিশের গুলিতে মৃত্যু অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের
Advertisement

বারুইপুর গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় (Baruipur Incident) এনকাউন্টার! পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনার পুনর্নিমাণের জন্য প্রভাসকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বারুইপুরের সূর্যপুরে। সেই সময় পালানোর চেষ্টা করায় গুলি চালায় পুলিশ। মৃত্যু হয় ধৃত প্রভাসের। এদিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আরও এক অভিযুক্ত কবীর মোল্লাকে। অর্থাৎ ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে মোট ধৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৪। 

বারুইপুর কাণ্ডের (Baruipur Incident) তদন্তে নেমে একটি সিসিটিভি ফুটেজ হাতে পায় পুলিশ। তাতে দেখা গিয়েছিল নাবালিকার সঙ্গে প্রভাস মণ্ডল নামে এক যুবক রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। এরপরই তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। প্রভাসকে জেরা করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই উদ্ধার করা হয় নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ। পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনার পুনর্নিমাণ করতে প্রভাসকে নিয়ে যাওয়া হয় বারুইপুরের সূর্যপুরে অর্থাৎ অকুস্থলে। তদন্তকারীদের দাবি, সেই সময় পুলিশের বন্দুক হাতিয়ে তাঁদের লক্ষ্য করেই গুলি চালায় প্রভাস। চেষ্টা করে পালানোর। সেই সময় বাধ্য হয়ে গুলি চালায় পুলিশ। রক্তাক্ত অবস্থায় বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা প্রভাসকে মৃত বলে ঘোষণা করে। 

Advertisement

নির্বাচনের আগে শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, “বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় এলে ধর্ষকদের কোর্টে পাঠাব না, সকালে জমা নেব, বিকেলে খরচ করব।” বারুইপুর কাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, অপরাধীদের রেয়াত করা হবে না। গতকাল বারুইপুরে গিয়ে ডিজিপিকে ৭২ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, নির্যাতিতার মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে পুলিশের কোনও গাফিলতি থাকলেও কড়া অ্যাকশন নেওয়া হবে। তার কয়েকঘণ্টার মধ্যেই এনকাউন্টারে খতম প্রভাস। পুলিশ জানিয়েছে, প্রভাসকে জেরা করেই বাকি অভিযুক্তদের হদিশ মিলেছিল। তবে মৃত যুবক বারবার বয়ান বদল করে পুলিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছিল। এদিকে বারুইপুরে পুলিশের উপর হামলার ঘটনাতেও কড়া পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন। ওই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এই এনকাউন্টারের ঘটনায় হাই কোর্টের কোনও বর্তমান বিচারপতি নেতৃত্বে বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। তাঁর প্রশ্ন, একে বাঁচিয়ে রাখলে বড় কোনও চক্র ফাঁস হত, আরএসএস এবং বিজেপির সঙ্গে এদের সম্পর্ক বেরিয়ে আসতো বলেই কি এই ঘটনা? 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.