Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Howrah

মুখে ঢোকানো সাঁড়াশি, গলায় পেঁচানো শাড়ি! ধর্ষণ করে বৃদ্ধাকে খুন? হাড়হিম ঘটনা হাওড়ায়

ঘরের মেঝেয় পড়ে বৃদ্ধার বিবস্ত্র, পচনশীল দেহ! গলায় শাড়ি পেঁচানো, মুখে ঢোকানো সাঁড়াশি! রক্তাক্ত মুখ। হাড়হিম ঘটনা হাওড়ার জগৎবল্লভপুর এলাকায়। বাড়িতে একাকী থাকা বৃদ্ধাকে কি তাহলে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে? স্থানীয় বাসিন্দারা ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছে।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ৬, ২০২৬, ২০:০৫

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ৬, ২০২৬, ২০:০৫

options
link
মুখে ঢোকানো সাঁড়াশি, গলায় পেঁচানো শাড়ি! ধর্ষণ করে বৃদ্ধাকে খুন? হাড়হিম ঘটনা হাওড়ায় zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

ঘরের মেঝেয় পড়ে বৃদ্ধার বিবস্ত্র, পচনশীল দেহ! গলায় শাড়ি পেঁচানো, মুখে ঢোকানো সাঁড়াশি! রক্তাক্ত মুখ। হাড়হিম ঘটনা হাওড়ার জগৎবল্লভপুর এলাকায়। বাড়িতে একাকী থাকা বৃদ্ধাকে কি তাহলে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে? স্থানীয় বাসিন্দারা ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। যদিও তদন্তকারীদের বক্তব্য, ধর্ষণের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

বৃদ্ধার নাম দুর্গা মণ্ডল। বছর ৬৫ বছরের ওই বৃদ্ধা বাড়িতে একাই থাকতেন। তার এক ছেলে হায়দরাবাদে থাকেন। সেখানে সোনার দোকান রয়েছে। দুই মেয়েরও বিয়ে হয়ে গিয়েছে। বছর দুয়েক আগে মারা গিয়েছেন বৃদ্ধার স্বামী হারাধন মণ্ডল। জানা গিয়েছে, দিন কয়েক ধরে মেয়েরা মাকে ফোন করে পাচ্ছিলেন না। স্থানীয় একজনকে মায়ের খবর নিতে বলা হয়েছিল। ওই ব্যক্তি বৃদ্ধার বাড়িতে গিয়েছিলেন। দেখা যায়, বাড়ির তিনটে দরজা বাইরে থেকে তালাবন্ধ। সন্দেহ হওয়ায় তিনি জানলার কাছে গিয়েছিলেন। বাইরে থেকে জানলা ঠেলে খুলতেই গা শিউড়ে উঠেছিল তাঁর। দেখা যায় মেঝেয় রক্তাক্ত অবস্থায় বৃদ্ধা পড়ে রয়েছেন। দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করেছে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, দিন কয়েক ধরে মেয়েরা মাকে ফোন করে পাচ্ছিলেন না। স্থানীয় একজনকে মায়ের খবর নিতে বলা হয়েছিল। ওই ব্যক্তি বৃদ্ধার বাড়িতে গিয়েছিলেন। দেখা যায়, বাড়ির তিনটে দরজা বাইরে থেকে তালাবন্ধ।

প্রতিবেশীরাও ঘটনাস্থলে যায়। খবর দেওয়া হয় জগৎবল্লভপুর থানায়। পুলিশ গিয়ে দরজা খুলে মৃতদেহ উদ্ধার করে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, বৃদ্ধাকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। গলায় শাড়ি দিয়ে পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করা হয়! শুধু তাই নয়, বৃদ্ধার মুখের ভিতরে সাঁড়াশি লুকিয়ে দেওয়া হয় বলে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা। হাওড়ার গ্রামীণ এলাকার পুলিশ সুপার সুবিমল পাল বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে দেখা গিয়েছে ঘর থেকে কোনও কিছু চুরি যায়নি। শুধু বৃদ্ধাকে খুন করা হয়েছে। ফলে এই ঘটনায় চুরি বা ডাকাতির কোনও সম্পর্ক আছে বলে মনে হয় না। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” পুলিশের বক্তব্য, পুরনো শত্রুতা না থাকলে এমন নৃশংসভাবে কেউ খুন করে না।

জানা গিয়েছে, ওই বৃদ্ধার ছেলে দীর্ঘদিন ধরে হায়দরাবাদে থাকেন। ১০ বছর তাঁর সঙ্গে পরিবারের কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি হাওড়ার বাড়িতেও আসেন না। মৃতার স্বামী চাষবাসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ফলে ওই পরিবার কতটা অবস্থাপন্ন? সেই প্রশ্ন রয়েছে। সম্পত্তি, বাড়ির জন্য কি খুন? সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.