Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Madan Mitra

এবার ইডির স্ক্যানারে মদনের পরিবার, স্ত্রী ও দুই ছেলেকে তলব সল্টলেকের দপ্তরে

সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহে তাঁদের ডেকে পাঠানো হয়েছে ইডির অফিসে।

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২৬, ১৯:০৭

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২৬, ১৯:০৭

options
link
এবার ইডির স্ক্যানারে মদনের পরিবার, স্ত্রী ও দুই ছেলেকে তলব সল্টলেকের দপ্তরে zoom
প্রায় ৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর ইডি দপ্তর থেকে বেরলেন মদন। ফাইল ছবি
Advertisement

পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের স্ক্যানারে এবার তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের (Madan Mitra) গোটা পরিবার। তাঁর স্ত্রী ও দুই ছেলেকে তলব করল ইডি। আগামী সপ্তাহে তিনজনকে হাজিরা দিতে হবে সল্টলেকের ইডি দপ্তরে। যদিও এ ব্যাপারে এখনও মদন মিত্র বা তাঁর পরিবারের কারও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। মনে করা হচ্ছে, পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুকে জেরার সূত্রে পাওয়া তথ্য থেকে নতুন করে মদন মিত্রের পরিবারকে এবার তদন্তের আওতায় আনছে ইডি।

তদন্তকারীদের অনুমান, পুরনিয়োগ দুর্নীতিতে নয়ছয় হওয়া অর্থ সুজিত বসুর মতো মদন মিত্রও স্ত্রী ও ছেলেদের অ্যাকাউন্টে টাকা লেনদেন করেছেন। মদন মিত্রর স্ত্রী অর্চনা গৃহবধূ। দুই ছেলে স্বরূপ ও শুভরূপ ব্যবসায়ী। এক ছেলের পুত্রবধূ মেঘনা কামারহাটি পুরসভার কাউন্সিলর। এই পরিস্থিতিতে তাঁদের সকলের অ্যাকাউন্টেই নজর ইডির। 

তৃণমূল আমলে শিক্ষাদপ্তরে নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির বিষয়টি সামনে আসার পর পুরসভাতেও একই অভিযোগ ওঠে। রাজ্যের বহু পুরসভায় বেআইনিভাবে নিয়োগের অভিযোগ সামনে আসে। যোগ্যদের বাদ দিয়ে অযোগ্যদের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৎকালীন প্রভাবশালী মন্ত্রী, বিধায়কদের বিরুদ্ধে। তার মধ্যে নাম ওঠে মদন মিত্রর। পুরনিয়োগে দুর্নীতি মামলায় এর আগে একাধিকবার কামারহাটির বিধায়কের বাড়ি, অফিসে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। তাঁকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। প্রত্যেকবার বিধায়ক তদন্তে সহযোগিতা করেছেন।

Advertisement

কিন্তু ইডি তদন্তকারীরা মনে করছেন, একা মদনই নন, পুরনিয়োগ দুর্নীতির অর্থ তাঁর পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও ট্রান্সফার হয়েছে। ছাব্বিশের ভোট মিটতেই পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুকে গ্রেপ্তার করেছিল ইডি। জেরায় জানা যায়, সুজিতের স্ত্রীরও প্রভূত সম্পত্তি রয়েছে। তার বেশিরভাগেরই আয়ের সঙ্গে সম্পত্তিহীন। তদন্তকারীদের নজর এড়াতে নিজের বিপুল অর্থ স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করছিলেন সুজিত, এমন বেশ কিছু তথ্য হাতে পেয়েছে ইডি। সম্প্রতি সুজিত বসুর বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করা হয়েছে। তাতেই তদন্তকারীদের অনুমান, সুজিতের মতো মদন মিত্রও স্ত্রী ও ছেলেদের অ্যাকাউন্টে টাকা লেনদেন করেছেন। মদন মিত্রর স্ত্রী অর্চনা গৃহবধূ। দুই ছেলে স্বরূপ ও শুভরূপ ব্যবসায়ী। এক ছেলের পুত্রবধূ মেঘনা কামারহাটি পুরসভার কাউন্সিলর। এই পরিস্থিতিতে তাঁদের সকলের অ্যাকাউন্টেই নজর ইডির। তাই আগামী ২২ ও ২৩ জুলাই তাঁদের ডেকে পাঠানো হয়েছে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দপ্তরে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.