Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
Murshidabad

শ্বশুরবাড়িতে বসে জঙ্গি নেটওয়ার্ক! মুর্শিদাবাদের রঘুনাথপুরে বাংলাদেশি জামাইকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ ইডির

তদন্তে উঠে এসেছে, পশ্চিমবঙ্গ থেকেই এই নেটওয়ার্কের বড় অংশ পরিচালিত হত। আর সেই অভিযোগের সূত্র ধরেই আজ গোটা রাজ্যে ছেয়ে গেছে ইডি।

অতুলচন্দ্র নাগ
অতুলচন্দ্র নাগ

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৬, ১৯:৫৪

link
অতুলচন্দ্র নাগ
অতুলচন্দ্র নাগ

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৬, ১৯:৫৪

options
link
শ্বশুরবাড়িতে বসে জঙ্গি নেটওয়ার্ক! মুর্শিদাবাদের রঘুনাথপুরে বাংলাদেশি জামাইকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ ইডির zoom
রঘুনাথপুরে বাংলাদেশি যুবককে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ ইডির। নিজস্ব ছবি।
Advertisement

শ্বশুরবাড়িতে বসেই জামাই কু-কীর্তি! বাংলাদেশি আদিল উল রহমানের খোঁজে বৃহস্পতিবার সকালে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রঘুনাথপুরের টুলটুলি পাড়ায় হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভুয়ো ভারতীয় পরিচয় পত্র তৈরি দিচ্ছিল একটি নেটওয়ার্ক। মোটা টাকার বিনিময়ে আধার, ভোটার পরিচয়পত্র, প্যান কার্ড, ই-শ্রম কার্ড-সহ বিভিন্ন সরকারি নথি জোগাড় করে দেওয়া হত । সেই পরিচয়পত্রের জোরেই দালালদের মাধ্যমে তাঁদের দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হত বলে অভিযোগ। তদন্তে উঠে এসেছে, পশ্চিমবঙ্গ থেকেই এই নেটওয়ার্কের বড় অংশ পরিচালিত হত। আর সেই অভিযোগের সূত্র ধরেই আজ গোটা রাজ্যে ছেয়ে গেছে ইডি।

বৃহস্পতিবার ইডির একটি দল রঘুনাথপুরের বাসিন্দা মীর রাকিব আলির বাড়িতে হানা দেয়। জানা গিয়েছে, মীর রাকিব আলির জামাই আদিল উল রহমান বাংলাদেশী যুবক। বছর চারেক আগে মীর রাকিব আলির বাড়িতে আসে। জানা গিয়েছে, নিজেকে মাদ্রাসার ছাত্র হিসেবে পরিচয় দিয়েছিল। নিজেকে অনাথ বলে সহানুভূতি কোড়ায় ওই পরিবারে। মাদ্রাসায় পড়তে পড়তে দিল্লিতে যাওয়ায় আঁধার কার্ড-ভোটার কার্ড কিছুই করা হয়নি বলে জানায় সে। একাধিক কথা বলে মীর রাকিব আলির সহানুভূতি আদায় করে ও যাতায়াত শুরু হয় তাঁর বাড়িতে। এভাবে সু-সম্পর্ক গড়ে ওঠে পরিবারের সঙ্গে। এর পরই মীর রাকিব আলির মেয়েকে বিয়ে করে আদিল। তারপর উত্তরপ্রদেশে পাড়ি দেয় ওই যুবক। সেখানই থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তার করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।

Advertisement

তিন বছর পর মুর্শিদাবাদে শ্বশুরবাড়িতে ফেরে আদিল। পরিজনরা বলছেন, কাজ আছে বলে কলকাতায় যাতায়াত করত প্রায়দিনই। দিন পাঁচেক আগে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে ডোমকল মহকুমা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতাল থেকে তাঁকে তুলে আনে ইডি ও টুলটুলিপাড়ায় শ্বশুরবাড়িতে এনে শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ। পশ্চিমবঙ্গে এই মাথাদের সূত্র ধরে নেটওয়ার্কের রাঘব বোয়ালদের খোঁজ চালাতে একাধিক নথিপত্র খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.