Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Jiban Krishna Saha

নিয়োগ দুর্নীতিতে এবার ইডির হাতে গ্রেপ্তার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা

Jiban Krishna Saha Arrest: সোমবার সকালে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০২৫, ১৮:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০২৫, ১৮:০৫

options
link
নিয়োগ দুর্নীতিতে এবার ইডির হাতে গ্রেপ্তার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার ইডির হাতে গ্রেপ্তার বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা (Jiban Krishna Saha)। একই মামলায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার হয়েও জামিন পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু জামিনে মুক্তির মেয়াদ দীর্ঘ হল না। আজ, সোমবার সকালে আন্দি গ্রামে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। টানা প্রায় ৬ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর বিধায়ককে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে বড়ঞা থেকে সোজা কলকাতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। আজই পেশ করা হবে ব্যাঙ্কশাল আদালতে।

বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন বছর দুই আগে। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে দিনভর জিজ্ঞাসাবাদের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা গ্রেপ্তার করেন। সেসময় প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে বিধায়ক নিজের মোবাইল ফোন বাড়ির পিছনে পুকুরে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হয়নি। জীবনকৃষ্ণর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে নিজের এলাকার বহু মানুষের চাকরির জন্য সুপারিশ করেছিলেন। মোটা টাকার বিনিময়ে সেসব চাকরি পাইয়ে দিয়েছিলেন বড়ঞার বিধায়ক। তাঁর বাড়ি থেকে তার কিছু কিছু প্রমাণও মেলে বলে দাবি করে সিবিআই। গত বছর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে দুর্নীতি মামলায় জামিনে মুক্তি পান জীবনকৃষ্ণ সাহা।

Advertisement

এসএসসি মামলার তদন্তে সোমবার সকালে তাঁর বাড়িতে ইডি তল্লাশি চালায়। সূত্রের খবর, ইডিকে দেখে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন জীবনকৃষ্ণ, দু’বছর আগেকার ‘চিত্রনাট্য’ অনুযায়ী মোবাইলও ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন পুকুরে। কিন্তু কোনওভাবেই রক্ষা হয়নি। তাঁকে ধরে ফেলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডি আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, তদন্তকারীদের সঙ্গে একেবারেই সহযোগিতা করেননি বিধায়ক। ৬ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদে কোনও সদুত্তর না পেয়ে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে। ইডি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, চাকরি ‘বিক্রি’র টাকা জীবনকৃষ্ণের অ্যাকাউন্টে এসেছে বলে প্রমাণ মিলেছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি আত্মীয়-বন্ধুদের চাকরি পাইয়ে দিয়েছিলেন, সেই প্রমাণও রয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। সোমবারই তাঁকে ব্যাঙ্কশাল কোর্টে ইডির বিশেষ আদালতে তোলা হবে। তার আগে সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হবে বলে খবর।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.