Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Duttapukur

ত্রিকোণ প্রেম নয়, সোনার বখরা নিয়ে বচসায় খুন দত্তপুকুরের যুবক! প্রকাশ্যে মোটিভ

জম্মু থেকে ধৃত জলিলকে জেরা করে এই তথ্য মিলেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৫, ১৩:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৫, ১৩:১০

options
link
ত্রিকোণ প্রেম নয়, সোনার বখরা নিয়ে বচসায় খুন দত্তপুকুরের যুবক! প্রকাশ্যে মোটিভ zoom
Advertisement

অর্ণব দাস, বারাসত: দত্তপুকুরে মুন্ডুহীন যুবকের দেহ উদ্ধারে নয়া তথ্য হাতে এল তদন্তকারীদের। প্রকাশ্যে এল মোটিভও। জানা যাচ্ছে, ত্রিকোণ প্রেমের কারণে নয়, চুরি করা সোনার ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে নিজেদের মধ্যে বচসার জেরেই খুন হতে হয়েছে হজরত লস্কর নামে ওই যুবককে। জম্মু থেকে ধৃত জলিলকে জেরা করতে সে-ই ‘আসল কথা’ জানিয়ে দিয়েছে বলে দাবি বারাসত পুলিশের। জানা গিয়েছে, হজরত একটি ডাকাতদলের সঙ্গে যুক্ত ছিল। সেই গোষ্ঠী রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে চুরি, ছিনতাই করত। তারই মধ্যে দলের একজনকে গ্রেপ্তারিতে পুলিশকে সাহায্য করেছিল সে। তা জেনে ফেলার পর থেকে নজর রাখা হত হজরতের উপর। এরপর চুরি করা সোনার বখরা নিয়ে নিজেদের মধ্যে ঝামেলা হওয়ায় তাকে খুন করে ফেলা হয়। জলিলকে জেরা করে আরও তথ্য উদ্ধারের চেষ্টায় তদন্তকারীরা।

পুলিশ সূত্রে জানা আরও গিয়েছে, হজরত খুনে ধৃত জলিল, ওবায়দুল সকলে মিলে হাওড়া, হুগলি, উত্তরপাড়া, বেলঘড়িয়া, বরানগর এলাকায় চুরি, ছিনতাই ডাকাতি করত। তিনজনই বেশ কয়েকবার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারও হয়েছিল। জলিল ও ওবায়দুলের সন্দেহ ছিল, কোনও চুরি বা ছিনতাইয়ের ঘটনায় দলের মধ্যে থেকেই পুলিশের ‘চর’ হিসেবে কাজ করেছিল হজরত। তার সাহায্য নিয়ে পুলিশ গ্রেপ্তারিতে সাফল্য পায়। এরপর থেকেই তার উপর নজর রাখতে শুরু করে দলের অন্যান্য সদস্যরা। তার মধ্যে চুরি করা ৪০ গ্রাম সোনার ভাগাভাগি নিয়ে হজরতের সঙ্গে জলিলের ঝামেলা হয়। আর তা থেকে নৃশংস হত্যাকাণ্ড বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।

Advertisement

তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, এই বচসার পরই হজরতকে খুন করে পরিচয় গোপন করতে জলিল তার ধড়-মুন্ডু আলাদা করে। আরও জানা গিয়েছে, জলিল যখন গলা কাটছিল তখন নিহত হজরত লস্করের হাত-পা চেপে ধরে সহযোগিতা করেছিল ধৃত স্ত্রী সুফিয়া খাতুন। তারপর স্বামী-স্ত্রী মিলেই ‘কাটা মাথা’ ঘটনাস্থল সংলগ্ন বাজিতপুরের বাড়ি পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিল লোপাট করতে। শেষে বাড়ির আসেপাশেই হজরতের মাথা লুকিয়েছিল জলিল। সে নিজে একথা স্বীকার করার পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী ধৃত সুফিয়া ও আরেক ধৃত ওবায়দুল গাজীও জিজ্ঞাসাবাদে একথা জানিয়েছে বলেই পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। ধৃত ওবায়দুল, জলিলের সঙ্গে সুফিয়াকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে কোথায় মুন্ডু লুকিয়ে রাখা হয়েছে, তা জেনে সোমবার তল্লাশি চালানো হবে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.