Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Durgapur

রাজস্থানে ১০ দিন ধরে নিখোঁজ দুর্গাপুরের শ্রমিক! উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে পরিবারের

জুলাই মাসে রাজস্থানে কাজে যান শ্রমিক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৫, ২০২৫, ১৫:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৫, ২০২৫, ১৫:৫৬

options
link
রাজস্থানে ১০ দিন ধরে নিখোঁজ দুর্গাপুরের শ্রমিক! উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে পরিবারের zoom
Advertisement

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: ভিন রাজ্যে বাংলা শ্রমিকদের উপর অত্যাচার, আটকের অভিযোগ আসছে। বিশেষ করে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে পুলিশি ‘অত্যাচারে’র অভিযোগ উঠছে। যা নিয়ে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। এই আবহে রাজস্থানে নিখোঁজ দুর্গাপুরের শ্রমিক। ১০ দিন ধরে তাঁর খোঁজ মিলছে না বলে জানিয়েছে পরিযায়ী শ্রমিকের পরিবার। দুশ্চিতায় দিন কাটছে তাঁদের।

দুর্গাপুর থানার ফরিদপুর ছাতিমতলা এলাকার বাসিন্দা শ্রীমন্ত পাল (৪১)। জুলাই মাসে তামলা এলাকার কাশিনাথ সিং নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে দুর্গাপুর থেকে রাজস্থানের কোটারি এলাকায় রান্নার কাজ করতে যান শ্রমিক। কিন্তু অন্য কাজ করানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ পরিবারের। পরিবার জানিয়েছে, ২৩ জুলাই ফোন করে বাড়ি ফিরে আসার কথা জানান শ্রীমন্ত। তারপর থেকেই তাঁর খোঁজ মিলছে না বলে দাবি পরিবারের।

Advertisement

নিখোঁজের মেয়ে স্বস্তিকা রুইদাসের দাবি, “২৩ জুলাই শেষ ফোন করে বাবা। বাড়ি ফিরে আসছি বলে। তারপর থেকে বাবার কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা চরম চিন্তায় রয়েছি। পুলিশকে জানিয়েছি বিষয়টি।” দুর্গাপুরের ফরিদপুর ফাঁড়ির পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছেছে পুলিশ। অন্যদিকে, যে কাশিনাথ সিংয়ের সঙ্গে নিখোঁজ সীমন্ত কাজে গিয়েছিলেন তাঁকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। কাশিনাথ দাবি করেছেন, তিনি কোটারি এলাকার পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

ঘটনার খবর পাওয়া পর ওই শ্রমিকের বাড়িতে গিয়েছিলেন ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের যুগ্ম আহ্বায়ক মানিক রুইদাস। তিনি বলেন, “কাশিনাথ সিং নামের এক ব্যক্তি তাঁর দাদার রাজস্থানের কোম্পানিতে রান্না করার কাজে নিয়ে যায় শ্রীমন্তকে। শ্রীমন্ত ২৩ জুলাই বাড়িতে ফোন করে জানান রান্নার কাজের পরিবর্তে অন্য কাজ করানো হচ্ছে। তিনি বাড়ি ফিরে আসছেন বলেও জানান। দশ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও বাড়ি ফিরে না আসায় আমরা চিন্তিত। ফরিদপুর ফাঁড়ির পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছি। পুলিশের উপর আমাদের ভরসা আছে। তদন্ত শুরু হয়েছে। আমরা পরিবারের পাশে আছি।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.