Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
SIR

এনুমারেশন ফর্ম জমা দিয়েও খসড়া তালিকায় ‘নিখোঁজ’, আতঙ্কে দুর্গাপুর পুরনিগমের বহু ভোটার

ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেও একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ভোটাররা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫, ২০:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫, ২০:০৩

options
link
এনুমারেশন ফর্ম জমা দিয়েও খসড়া তালিকায় ‘নিখোঁজ’, আতঙ্কে দুর্গাপুর পুরনিগমের বহু ভোটার zoom
প্রতীকী ছবি

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর:  থাকেন নিজের বাড়িতে। নির্ধারিত সময়ে জমাও দিয়েছিলেন এনুমারেশন ফর্ম। কিন্তু এরপরেও প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকায় আজ তাঁরা ‘নিখোঁজ’। আর এই ঘটনা সামনে আসতেই রীতিমতো আতঙ্কে দুর্গাপুর পুরনিগমের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন পল্লী এলাকার বাসিন্দারা। শুধু তাই নয়, ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেও একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তাঁরা। এই অবস্থায় কোথায় যাবেন, কীভাবে নাম তুলবেন কিছুই বুঝতে পারছেন না। অন্যদিকে এই ঘটনায় রীতিমতো অবাক ওই বুথের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত বিএলও শিল্পী বণিকও। তিনি বলেন, ”এলাকার বিএলও অসুস্থ ছিলেন। সেই জন্য আমি অনলাইনে এন্ট্রির দায়িত্বে ছিলাম। কী কারনে এইরকম হয়েছে আমি বুঝে উঠতে পারছি না।”

গত চার নভেম্বর থেকে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়। বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম দেওয়া হয়। সেই মতো ফর্ম পান দুর্গাপুর পুরনিগমের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন পল্লী এলাকার বাসিন্দা রাখি বটব্যাল, সঞ্জীব মান্ডি, শ্রাবণী মাণ্ডি-সহ ১০জন। নির্ধারিত সময়ে নিয়ম মেনে তা জমাও দিয়েছিলেন। এমনকী তাঁদের হাতে প্রমাণ হিসেবে হাতে রয়েছে জমা দেওয়া রিসিভ কপিও। কিন্তু খসড়া তালিকা প্রকাশ হতেই বদলে গেল ছবিটা! নেমে এল এক রাশ। কমিশনের প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকায় সাফ লেখা ‘খুঁজে পাওয়া যায়নি’। এরপরেই ক্ষোভ উগরে দেন তাঁরা। অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের গাফিলতিতেই এই ঘটনা ঘটেছে।

Advertisement

শ্রাবণী মাণ্ডি অভিযোগ করেন,”আমরা ফর্ম জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু এখন লিস্টে লেখা রয়েছে খুঁজে পাওয়া যায়নি, অনুপস্থিত। আমরা তো এই বিষয়টি দেখে বড় চিন্তায় রয়েছি।” তাঁর কথায়, ”রিসিভ রয়েছে আমার কাছে। এরপরেও কীভাবে এই ঘটনা?” ‘নিখোঁজ’ তালিকায় থাকা আরও এক ভোটার বলেন, ”কার গাফিলতি, বিএলওর না নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের তা বুঝে উঠতে পারছি না।” তাঁরা চান, দ্রুত এই অবস্থার সুরাহা। অন্যদিকে এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনকে একহাত নিয়েছেন দুর্গাপুর নগর নিগমের প্রাক্তন পুরমাতা রাখি তিওয়ারি। তিনি বলেন,”এসআইআর প্রক্রিয়া যেদিন থেকে শুরু হয়েছে, সেদিন থেকেই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটছে। মানসিক অবসাদে প্রাণ হারিয়েছে অনেকে। এখন দেখা যাচ্ছে এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার পরেও অনেকের নাম নিখোঁজ রাখা রয়েছে। এই দায় সম্পূর্ণ নির্বাচন কমিশনের।” ঘটনায় কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন রাখি তিওয়ারি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.