Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১০ জুন ২০২৬
বঙ্গে পালাবদল
Durgapur

তৃণমূল আমলে গুলিতে ঝাঁজরা বিজেপি নেতা, বাংলায় পদ্ম সরকার হতেই সিবিআই তদন্তের দাবি পরিবারের

দলের বৈঠক সেরে ফেরার পথে তৃণমূলআশ্রিত দুষ্কৃতীদের গুলিতে 'খুন' হয়েছিলেন বিজেপির বুথ সভাপতি সন্দীপ ঘোষ। গুলিতে ঝাঁজরা হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। ওই ঘটনার সেভাবে কোনও তদন্তই হয়নি বলে অভিযোগ। রাজ্যে পালাবদলের পর বিজেপি সরকার এসেছে।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ১২, ২০২৬, ১৪:৫১

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ১২, ২০২৬, ১৪:৫১

options
link
তৃণমূল আমলে গুলিতে ঝাঁজরা বিজেপি নেতা, বাংলায় পদ্ম সরকার হতেই সিবিআই তদন্তের দাবি পরিবারের zoom
সিবিআই তদন্তের দাবি পরিবারের।

দলের বৈঠক সেরে ফেরার পথে তৃণমূলআশ্রিত দুষ্কৃতীদের গুলিতে ‘খুন’ হয়েছিলেন বিজেপির বুথ সভাপতি সন্দীপ ঘোষ। গুলিতে ঝাঁজরা হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। ওই ঘটনার সেভাবে কোনও তদন্তই হয়নি বলে অভিযোগ। রাজ্যে পালাবদলের পর বিজেপি সরকার এসেছে। এবার দুর্গাপুরের (Durgapur) কাঁকসার সেই খুনের ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি তুলছে পরিবার। শুভেন্দু অধিকারীর সরকার সেই খুনে দোষীদের যোগ্য সাজা দেবেন। তেমনই আশা করছেন সন্দীপের বাবা বিজয় ঘোষ-সহ পরিবারের সদস্যরা।

বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন করতেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শহিদদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, তদন্ত আবার হবে। দোষীরা কেউ ছাড়া পাবে না। এরপরই বুকে বল পেয়েছে সন্দীপের পরিবার। ছেলের খুনের অপরাধীরা শাস্তি এবার পাবে, এমনই আশা বুকে বেঁধেছেন বৃদ্ধ বাবা বিজয় ঘোষ। ২০১৮ সালের ৯ ডিসেম্বর পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসার জঙ্গলমহল এলাকায় ঠিক কী হয়েছিল?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
BJP leader murdered during TMC era, family of deceased demands CBI investigation now
এলাকায় মূর্তি গড়া হয়েছে সন্দীপের। নিজস্ব চিত্র

পরিবার ও স্থানীয়দের থেকে জানা গিয়েছে, দলের বৈঠক সেরে বাইকে করে বাড়ি ফেরার পথে সরস্বতীগঞ্জ গ্রাম সংলগ্ন এলাকায় হামলার মুখে পড়েন সন্দীপ ও তাঁর সঙ্গীরা। তৃণমূলআশ্রিত প্রায় জনা চল্লিশ দুষ্কৃতী রাস্তা আটকে লাঠি, রড ও আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছিল! পালানোর চেষ্টা করলে সন্দীপকে গুলিতে ঝাঁজরা করে দেওয়া হয়েছিল! গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনায় আহত হয় বিজেপি কর্মী জয়দীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেদিন তন্ময় কর নামে এক বিজেপি কর্মীর বাইকের পিছনে বসেছিলেন সন্দীপ। সেই ঘটনা মনে করলে এখনও কেঁপে ওঠেন তিনি। জানা গিয়েছে, পুলিশি তদন্তে কয়েকজন গ্রেপ্তার হয়েছিল। আদালতে মামলাও শুরু হয়। এখন প্রত্যেকেই জামিনে মুক্ত।

সন্দীপ ঘোষের মৃত্যুর পর উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কাঁকসা ও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত। তৃণমূল সরকারের আমলে পুলিশ সেভাবে কোনও তদন্ত করেনি বলে অভিযোগ। তৎকালীন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়রা গিয়েছিলেন দুর্গাপুরে। তাঁরা বলেছিলেন, যেদিন বিজেপির ক্ষমতায় আসবে, সেদিন আবার ফাইল খোলা হবে। পার পাবে না সন্দীপ ঘোষের হত্যাকারীরা। এবার সেই বিষয়েই দিন গুনছেন সন্দীপের পরিবার। ওই ঘটনার পর এলাকায় সন্দীপের মূর্তিও বসেছে।  

BJP leader murdered during TMC era, family of deceased demands CBI investigation now
আজও ছেলের অপেক্ষায় মা। নিজস্ব চিত্র

বাবা বিজয় ঘোষ ছেলের মূর্তির সামনে দাঁড়িয়েই বলেন,”চাপা কষ্ট নিয়ে বেঁচে আছি। বর্তমান বিজেপি সরকারের কথা শুনে মনে হচ্ছে শান্তি পাবে দোষীরা। তবে আমি চাই সিবিআই তদন্ত হোক। তবে যেদিন শাস্তি হবে সেদিন আমাদের শান্তি হবে।” মা প্রতিমা ঘোষ বলেন,”বিজেপি করাই অপরাধ ছিল আমার ছেলের। তাই গুলি করে মেরে দেওয়া হয়েছিল। খুব কষ্ট হয়। আট বছর হতে চলল এখনও কিছুই হল না। সিবিআই তদন্ত করে খুঁজে বের করা হোক ছেলের খুনিদের।”

তন্ময় করের দাবি, “আমার বাইকে সন্দীপ চেপেছিল। ৬জন মিলে ৩টি বাইকে করে ফিরছিলাম। তখনই দুষ্কৃতীরা গুলি করে। সন্দীপের বুকে গুলি লাগে। আমার বাইক থেকে পড়ে যায়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় দ্রুত শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.