Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Banglar Durga Pujo

বাদামের খোলায় তৈরি প্রতিমা, মণ্ডপসজ্জাতেও চমক! জমজমাট নদিয়ার এই পুজো

প্রতিবছর সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন থিম বানিয়ে নজর কেড়েছে এই ক্লাব।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৫, ১২:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৫, ১২:৩২

options
link
বাদামের খোলায় তৈরি প্রতিমা, মণ্ডপসজ্জাতেও চমক! জমজমাট নদিয়ার এই পুজো zoom
নিজস্ব ছবি
Advertisement

সঞ্জিত ঘোষ, নদিয়া: নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের অজয় স্মৃতি ক্লাবের এবছরের থিম – বাদাম দুর্গা। ৩০তম বছরে বেশ চমকই দিয়েছেন পুজো উদ্যোক্তারা। ছয় মাস আগে ক্লাবের সদস্যরা সিদ্ধান্ত নেন, বাদামের খোলা সংগ্রহ করে এবার তাঁরা দুর্গামূর্তি বানাবেন। শুধু তাই নয়, পুরো প্যান্ডেল তৈরি হবে বাদামের খোলা দিয়ে। কৃষ্ণগঞ্জের অজয় স্মৃতি ক্লাবের মহিলারা এই পুজোর দায়িত্ব তুলে নেন নিজেদের কাঁধে।

এলাকার প্রতিটি বাড়িতে প্রচার করা হয়, যাতে তাঁরা বাদাম খাওয়ার পরে খোসা ফেলে না দিয়ে মজুত করে রাখেন। সেই মজুত করা বাদামের খোলা সংগ্রহ করে নিয়ে আসেন উদ্যোক্তারা। সেই জমানো বাদামের খোলা দিয়ে পুজোমণ্ডপ ও প্রতিমা তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে অজয় স্মৃতি সংঘ। উদ্যোক্তাদের দাবি, এই উদ্যোগে গ্রামের কৃষকরা বাদাম চাষে উৎসাহ পাবেন। পাশাপাশি, এমন একজন এই পুজোর উদ্বোধন করেছেন, যিনি গ্রামের বাদাম চাষ নিয়ে গান গেয়েছেন। তাঁকে দিয়ে উদ্বোধন করিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।

Advertisement

নদিয়া এলাকায় থিমের দুর্গাপুজো প্রথম চালু করে অজয় স্মৃতি ক্লাব। প্রথমবার পাটের দুর্গা এবং প্যান্ডেল বানিয়ে জেলার সেরার সেরা সম্মান ছিনিয়ে নিয়েছিল তারা। সেই থেকেই প্রতিবছর সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে বিভিন্ন থিম বানিয়ে নজর কেড়েছে এই ক্লাব। প্রতিবার এই পুজোর উদ্বোধন করেন প্যান্ডেল বানানোর সঙ্গে যুক্তরা। এমনকি সাঁইথিয়া ট্রেন দুর্ঘটনার সময় জীবিত যাত্রীকে ঝাড়খণ্ড থেকে নিয়ে এসে পুজোর উদ্বোধন করিয়েছিলেন তাঁরা।

এই পুজোর উদ্যোক্তা প্রিয়াঙ্কা কুণ্ডু বলেন, “আমরা এক বছর আগে ঠিক করি বাদামের দুর্গা এবং মণ্ডপ বানাব। সেই লক্ষ্যে আমরা প্রতিটি বাড়ি থেকে খোসা সংগ্রহ করে এই কাজ করতে পেরেছি।” তিনি আরও বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা হয়ে যদি সব দিকে নজর রাখতে পারেন, দিনরাত কাজ করেন তবুও তিনি ক্লান্ত হন না। তাহলে আমরা মহিলারা একটা দুর্গাপুজো নিজেরা করতে পারব না কেন? তাঁর পথ অনুসরণ করেই আমরা মহিলারা এই কাজ করতে সক্ষম হয়েছি।” আরেক উদ্যোক্তা তুলি ঘোষের কথায়, “আমরা চিন্তায় ছিলাম যে মহিলারা মিলে ঠিকভাবে কাজটা করতে পারব কিনা। কিন্তু যে কাজটা আমরা করতে পেরেছি তাতে মহিলারা সমাজের পিছিয়ে নেই, সেটা প্রমাণ হল।” উদ্যোক্তাদের দাবি, প্রতিবছর থিমের পুজা করে অজয় স্মৃতি ক্লাবের যে বিজয়রথ এগিয়ে চলেছে, তা প্রতি বছর চলতে থাকবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.