Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Earthquake-safety capsule

ভূমিকম্পে প্রাণ বাঁচাবে ক্যাপসুল, দুর্গাপুরের অভিজিতের আবিষ্কারে দুর্যোগেও নিরাপদ মানুষ!

ক্যাপসুল তৈরি করে কেন্দ্রীয় সরকারের পেটেন্ট পেলেন ডিএসপির সিন্টার প্ল্যান্টের কর্মী অভিজিৎকুমার চন্দ।

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০২৬, ১৩:২৯

link
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০২৬, ১৩:২৯

options
link
ভূমিকম্পে প্রাণ বাঁচাবে ক্যাপসুল, দুর্গাপুরের অভিজিতের আবিষ্কারে দুর্যোগেও নিরাপদ মানুষ! zoom
অভিজিৎকুমার চন্দের আবিষ্কার সিসমিক প্রোটেকশন ইউনিট। নিজস্ব ছবি।
Advertisement

ভূমিকম্পের মতো ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষ থাকবে নিরাপদ। বিশেষ ক্যাপসুল তৈরি করে কেন্দ্রীয় সরকারের পেটেন্ট পেলেন দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের কর্মী অভিজিৎকুমার চন্দ। তাঁর আবিষ্কারের নাম ‘সিসমিক প্রোটেকশন ইউনিট’। সম্প্রতি ডিএসপির ডিআইসি কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ডিআইসি সুরজিত মিশ্র অভিজিৎবাবুর হাতে শংসাপত্র তুলে দেন।

এই সেই বিশেষ ক্যাপসুল।

কী এই ক্যাপসুল? কার্বন ফাইবার বা স্টিলের ক্যাপসুল এটি। ভিতরে ফোমের একটি স্তর থাকবে। ভিতরে রাখা যাবে সাতদিনের শুকনো খাবার, জল, টর্চ। অক্সিজেন ঢুকতে পারবে। জানা গিয়েছে, বাড়ি বা ফ্ল্যাটের বাইরে থাকবে ক্যাপসুল। ভূমিকম্প হলেই এর ভেতর আশ্রয় নিতে পারবে পরিবার। আবাসন ধ্বংস হলেও লাল রঙের এই ক্যাপসুল স্প্রিংয়ের সাহায্যে ঝুলবে। নজরে পড়বে সহজেই। কিন্তু কেন এমন আবিষ্কার? ২০০১ সালের ভয়াবহ গুজরাত ভূমিকম্প গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল অভিজিৎবাবুকে। সেই বিপর্যয়ে প্রাণহানির ঘটনা তাঁকে ভাবতে উদ্বুদ্ধ করে। সেই ভাবনা থেকেই ধীরে ধীরে জন্ম নেয় ‘সিসমিক প্রোটেকশন ইউনিট’-এর ধারণা।

Advertisement

উদ্ভাবনটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তিনি বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। অনেকেই তাঁর ভাবনার প্রশংসা করলেও বাস্তবে তা রূপ দেওয়ার সুযোগ দীর্ঘদিন অধরাই থেকে যায়। শেষপর্যন্ত হাল না ছেড়ে নিজের উদ্ভাবনকে পেটেন্টের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। গত ৬ আগস্ট ২০২৬ ভারত সরকারের কাছ থেকে তাঁর এই উদ্ভাবনের পেটেন্ট মঞ্জুর হয়। পেটেন্ট পাওয়ার পর এখন তাঁর লক্ষ্য, এই আবিষ্কারকে পরীক্ষামূলক পর্যায় পেরিয়ে বাস্তব প্রয়োগের উপযোগী করে তোলা। অভিজিৎবাবু বলেন, “এই দীর্ঘযাত্রায় আমার পাশে ছিল মেয়ে অঙ্কিতা। পেটেন্ট সংক্রান্ত সরকারি ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে আমাকে গুরুত্বপূর্ণভাবে সহযোগিতা করেছে।” তাই এই সাফল্যের নেপথ্যে মেয়ের অবদানও যথেষ্ট বলে জানিয়েছেন অভিজিৎবাবু।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.