সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে স্থানীয় নেতানেত্রীরা টাকা আত্মসাৎ করে বলে অভিযোগ উঠেছে বারবার। সন্দেশখালিতে দাঁড়িয়ে এই ইস্যুতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে কাউকে টাকা দিতে হবে না, সাফ জানালেন তিনি। মহিলাদের উদ্দেশে তাঁর বিশেষ সতর্কবার্তা, “দুষ্টু লোকের খপ্পরে পড়বেন না।”
সন্দেশখালিতে সভার শুরুতেই মা-বোনেদের ‘অন্তর থেকে প্রণাম’ জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর তিনি সকলকে সতর্ক করে বলেন, “আপনার টাকা, আপনার অধিকার। আমাদের প্রকল্পের জন্য টাকা লাগে না। কাউকে টাকা দেবেন না। সন্দেশখালিতে অনেক টাকার অঙ্কে খেলা হয়েছে। মানুষকে ভুল বোঝানো হয়েছিল। কিন্তু মিথ্যা বেশিদিন চলে না। সকলে মিলেমিশে থাকবেন। দুষ্টু লোকের খপ্পরে পড়বেন না। মহিলাদের বলছি কেউ ডাকলে চলে যাবেন না।” ওই এলাকায় দাঁড়িয়ে সন্দেশখালির উন্নয়নেও একগুচ্ছ প্রকল্পের ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, “আমি চাই সন্দেশখালির ছেলেমেয়েরা এগিয়ে যাক।”
বলে রাখা ভালো, লোকসভা নির্বাচনের আগে সন্দেশখালির ‘ত্রাস’ শেখ শাহজাহানের নাম সামনে আসে। জোর করে জমি দখল, মহিলাদের নির্যাতন-সহ তৎকালীন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ভূরি ভূরি অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর চাপানউতোর তৈরি হয়। সন্দেশখালি কাণ্ডের প্রভাব ভোটবাক্সে প্রতিফলিত হবে বলেই ভেবেছিলেন বিরোধীরা। যদিও সন্দেশখালি কাণ্ড সেভাবে অক্সিজেন জোগাতে পারেনি বিরোধী বিজেপিকে। সন্দেশখালিতে ফোটে ঘাসফুল। বছর শেষে সেই সন্দেশখালিতে দাঁড়িয়েই সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেখানে দাঁড়িয়ে একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কথা ঘোষণা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের।
সর্বশেষ খবর
-
ফের রণক্ষেত্র মণিপুর, স্কুলের প্রধানশিক্ষক-সহ ৫ জনের রক্তে লাল হল মাটি!
-
‘বেঁচে আছে তো?’ বেড়াতে গিয়ে বিধ্বস্ত নেপালে নিঁখোজ কলকাতার ৬! উৎকণ্ঠায় পরিবার
-
মুহূর্তে ‘জলরাক্ষস’ গ্রাস করল স্ত্রী-পুত্রকে! নেপালের ব্যবসায়ীর দু’চোখে এখনও আতঙ্ক ও বিষাদ
-
ক্যামাক স্ট্রিটে ফের ঝুলল ‘বেআইনি’ হোর্ডিং! ‘যতদূর যেতে হয়, যাব’ পুলিশের সঙ্গে গাজোয়ারির পর হুঁশিয়ারি অভিষেকের
-
মহারাষ্ট্র পিএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ‘ফাঁস’! ব্যর্থ প্রেমকাহিনিতেই প্রকাশ্যে কেলেঙ্কারি